Share this link via
Personality Websites!
উচিত ছুরি আগে থেকে খুব ধারালো করে নেওয়া। ঠিক যবেহর সময়ের আগে তাদের ছুরি দেখানো যাবে না। (জামেউল উলুম ওয়াহ হিকাম, পৃ:১৬৪) রাহমাতুল্লিল আলামীন, সুলতানে কওন ও মাকান صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, সে একটি বকরীকে শুইয়ে, তার ঘাড়ের উপর পা রেখে ছুরি ধার করছিল। বকরীটি তার দিকে তাকাচ্ছিল। রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করলেন: তুমি কি এটা আগে করতে পারতে না? তুমি কি একে একাধিকবার মারতে চাও? একে শোয়ানোর আগে নিজের ছুরি ধার কেন করলে না? (মুস্তাদরাক, খণ্ড: ৫, পৃ: ৩২৭, হাদীস: ৭৬৩৭)
শায়খে তরীকত, আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ যবেহকৃত পশুকে আরাম পৌঁছানোর কয়েকটি পদ্ধতি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন: * গরু ইত্যাদি পশুকে ফেলার আগেই কিবলার দিক নির্ধারণ করে নেওয়া উচিত। শোয়ানোর পর, বিশেষ করে পাথুরে জমিতে হেঁচড়ে কিবলার দিকে ফেরানো বোবা প্রাণীর জন্য চরম কষ্টের কারণ। * যবেহ করার সময় এমনভাবে কাটবেন না যেন ছুরি ঘাড়ের মেরুদণ্ডের হাড় পর্যন্ত পৌঁছে যায়, কারণ এটি অহেতুক কষ্ট দেওয়া। * যতক্ষণ না পশু সম্পূর্ণরূপে ঠান্ডা হয়, ততক্ষণ তার পা কাটবেন না, চামড়াও ছাড়াবেন না। * যবেহ করার পর যতক্ষণ না রুহ বের হয়ে যায়, ততক্ষণ কাটা গলায় ছুরি স্পর্শ (Touch) করবেন না, হাতও লাগাবেন না। * কিছু কসাই তাড়াতাড়ি ঠান্ডা করার জন্য যবেহর পর ছটফট করতে থাকা গরুর ঘাড়ের জীবন্ত চামড়া ছিঁড়ে ছুরি ঢুকিয়ে হৃদপিণ্ডের রগ কেটে দেয়। * একইভাবে বকরী যবেহ করার সাথে সাথেই বেচারার ঘাড় মটকে দেয়। বোবা প্রাণীদের উপর এ ধরনের অত্যাচার করা উচিত নয়। * যার পক্ষে সম্ভব, তার জন্য আবশ্যক যে, পশুকে অকারণে কষ্ট দেওয়া ব্যক্তিকে বাধা দেবে। যদি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বাধা না দেয়, তাহলে সে নিজেও গুনাহগার এবং জাহান্নামের হকদার হবে। (ঘোড়ার আরোহী, পৃ: ১৫)
আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে দয়ার্দ্রতার নিয়ামত নসীব করুন, বিশেষ করে পশুদের প্রতি রহম করার, ভালো ভালো নিয়্যতের সাথে কুরবানী করার, যবেহকৃত পশুকে আরাম পৌঁছানোর তাওফীক দান করুন।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami