Share this link via
Personality Websites!
প্রদর্শনকারীদের জন্য এই কল্পনাই কম্পনসৃষ্টিকারী। এটাতো শুধু বাহ্যিক কল্পনা। না হয় আল্লাহ পাকের অসন্তুষ্টি নিয়ে মারা যাবার পর কবরে যেসব আযাবের সম্মুখীন হতে হবে সেগুলো কে সহ্য করতে পারবে? হিলয়াতুল আউলিয়া তে বর্ণিত আছে: যখন বান্দা কবরে প্রবেশ করে, তাকে ভয় লাগানোর জন্য ঐ সকল বস্তু চলে আসে, যেগুলো সে দুনিয়াতে ভয় পেত এবং আল্লাহকে ভয় পেত না।
(হিলয়াতুল আউলিয়া, ১০/১২, ক্রমিক নং. ১৪৩১৮)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নফসের প্রবৃত্তিসমূহ এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ থেকে বেঁচে থাকার মধ্যেই কল্যাণ নিহিত। যারা আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নফসের প্রবৃত্তিসমূহ পরিত্যাগ করে, আল্লাহ পাক তাদের পুরস্কার স্বরূপ জান্নাতের চিরস্থায়ী নেয়ামত দ্বারা পুরস্কৃত করেন। যেমন: পারা ৩০ সূরা নাযিয়া আয়াত নং ৪০ ও ৪১ এ ইরশাদ হচ্ছে:
কানযুল ইরফান থেকে অনুবাদ: আর সে, যে তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াতে ভয় করেছে নফসকে প্রবৃত্তি থেকে বিরত রেখেছে। তাহলে নিশ্চয় জান্নাতই (তার) ঠিকানা।
এই আয়াতে আল্লাহ পাক নফসের প্রবৃত্তিসমূহ পরিত্যাগকারীদের প্রশংসা করেছেন এবং তাদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দ্বারাও ধন্য করেছেন।
হযরত আবু সুলাইমান দারানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: নফসের প্রবৃত্তিসমূহ হতে কোন একটি প্রবৃত্তি পরিত্যাগ করা অন্তরের জন্য এক বছরের রোযা এবং পুরো বছর ব্যাপী রাতের ইবাদাত থেকেও অধিক উপকারী।
(কুতুল কুলুব, ২/ ৩৩৬) (ফয়যানে সুন্নাত, ৭৩৪ পৃষ্ঠা)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন নফসের প্রবৃত্তিসমূহ পরিত্যাগ করা কেমন উপকারী! যে তার উপর প্রবৃত্তি সমূহের দরজা বন্ধ করে নেয় আল্লাহ পাক তাকে জান্নাতের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami