Share this link via
Personality Websites!
পরিত্যাগ করেছে, সে আখিরাতে পরিপূর্ণ অংশ পাবে। উত্তম ব্যাক্তি সে, যে দুনিয়া তাকে ছেড়ে দেয়ার পূর্বে নিজেই দুনিয়াকে পরিত্যাগ করে এবং তার পালনকর্তার সাথে সাক্ষাতের আগেই তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যায়। প্রত্যেক ব্যাক্তির কবরের কার্যক্রম তার দুনিয়াবী জীবনের অনুরূপ। অর্থাৎ নেকী অর্জনের মধ্য দিতে জীবন অতিবাহিত করলে কবরে সুখ শান্তি এবং যদি গুনাহ করা অবস্থায় মৃত্যু বরণ করে তাহলে সর্বনাশ।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আল্লাহর নেক বান্দাগণ কবরের অভ্যন্তরীণ অবস্থাসমূহ নিয়ে কেমন চিন্তা ভাবনা করতেন এবং দুনিয়ার চাকচিক্য ও নফসের প্রবৃত্তিসমূহের অনুসরণ থেকে কতো দূরে থাকতেন। নিঃসন্দেহে তাঁরা জানতেন দুনিয়ায় মনোনিবেশ করা এবং প্রবৃত্তির পিছু পিছু চলা আখিরাতে ক্ষতির কারণ। কিন্তু আফসোস! আমরা কতবার কবরস্থানে গিয়ে মৃত ব্যক্তিকে নিজ হাতে দাফন করেছি কিন্তু এরপরও শিক্ষা অর্জন করিনা যে, কুপ্রবৃত্তির অনুসরণকারী এবং দুনিয়াকে নিজের সবকিছু ধারণাকারী আজ কবরে এর ফল ভোগ করছে। মনে রাখবেন!বাহির থেকে একই ধরনের মনে হওয়া কবর ভিতরে এক রকম নয়। কারো কবর হয় ফুলের উদ্যান। অন্যদিকে কারো কবর হয় শিখা প্রজ্জ্বলিত আগুন ও সাপ বিচ্ছুর গর্ত। শুধু এতটুকুই চিন্তা করুন যে নফসের আকাঙ্ক্ষাসমূহে ডুবে এক ওয়াক্ত নামাজ একবার ছেড়ে দিলে, একবার মিথ্যা বললে, একবার গিবত করলে, একবার কুদৃষ্টির কারণে, একবার গান শুনলে কিংবা সিনেমা দেখলে, একবার গালমন্দ করলে অথবা একবার শরয়ী কারণ ব্যতিত রাগান্বিত হয়ে কাউকে বকা দিলে, একবার দাঁড়ি কর্তন অথবা এক মুষ্টি থেকে ছোট করলে শাস্তি স্বরূপ যদি ছোট কবরে ঘোর অন্ধকারে ভয়ানক নির্জনে রেখে দেয়া হয়, তাহলে কি হবে! নিশ্চয় আল্লাহ পাকের প্রতি ভয়
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami