Share this link via
Personality Websites!
জবাবদিহিতা করেনা সেই কখনো তার দোষ ত্রুটি ও গুনাহের ব্যাপারে অবগত হতে পারে না। এভাবে শয়তানের অনুকরণে লিপ্ত হয়ে গুনাহ করতে থাকে।
এমন ব্যক্তির উচিত প্রতিদিন তার নফসের ব্যাপারে জাবাবদিহিতা করা। যাকে দাওয়াতে ইসলামীর দ্বীনী পরিবেশে নেক আমলের পর্যালোচনা করা বলে। রাতে ঘুমানোর পূর্বে এটা চিন্তা করবে যে, আজ আমি কি কি নেক আমল করেছি? এবং কি কি খারাপ কাজ এবং গুনাহ আমার দ্বারা সংঘটিত হয়েছে? গুনাহের ফলে নিজের নফসকে তিরস্কার করবে এবং ভবিষ্যতে না করার সংকল্প করবে। শায়খে তরীকত আমীরে আহলে সুন্নাতের দেয়া ৭২ নেক আমলও নফসের জাবাবদিহিতা করার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্যকারী। প্রতিদিন নেক আমলের পর্যালোচনা করে প্রতি মাসে নেক আমলের রিসালা জমা করানো এলাকাভিত্তিক ১২ দ্বীনী কাজের মধ্যহতে একটি দ্বীনী কাজ। নেক আমলের উপর আমল করা নিজের আমলের হিসাব করা এবং কবর ও আখিরাতের প্রস্তুতি গ্রহণ করার সেরা উপায়। তাই আপনারাও নেক আমলের উপর আমল করুন। প্রতিদিন নেক আমলের পর্যালোচনা করে নেক আমলের রিসালা পূরণ করুন। প্রতি ইংরেজী মাসের প্রথম দশ দিনের ভেতর নিজ এলাকার যিম্মাদারকে জমা করিয়ে দিন। এর বরকতে শয়তানের অনুসরণের মতো ক্ষতিকর রোগ এবং অন্যান্য গুনাহ থেকেও বাঁচার মনমানসিকতা তৈরি হবে।
তদ্রুপ কুপ্রবৃত্তির অনুসরণে লিপ্ত হওয়ার একটি কারণ হলো উদরপূর্তি।অর্থাৎ পেট ভরে খাবার খাওয়া। কারণ এটা স্বাভাবিক যে, যার পেট ভরা থাকবে তাকে শয়তান সহজে কাবু করতে পারে। যার ফলে নেকীর কাজে মন বসে না। বরং নফসের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami