Share this link via
Personality Websites!
হয়েছে: ""X'JI" এটা তাদের জন্য পবিত্রতর অর্থাৎ এটা তাদের অন্তরকে পবিত্র করার এবং তাদের কল্যাণ বৃদ্ধি করার একটি মাধ্যম। এই বাণীর মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, দৃষ্টি নিচু রাখার মধ্যে অন্তরের পবিত্রতা এবং ইবাদত ও কল্যাণের আধিক্য রয়েছে। কারণ যদি তোমরা তোমাদের দৃষ্টিকে না আটকাও এবং এর লাগাম ছেড়ে দাও, তাহলে তা অনর্থক জিনিস দেখবে এবং যদি আল্লাহ পাকের দয়া অন্তর্ভুক্ত না থাকে, তবে তোমরা ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ হয়তো তোমরা হারাম দেখবে, ফলে গুনাহে পতিত হবে, অথবা মুবাহ (বৈধ) জিনিসের দিকে তাকাবে, ফলে তোমাদের অন্তর তাতে ব্যস্ত হয়ে যাবে এবং এর কারণে তোমাদের মধ্যে কুমন্ত্রণা ও বিভিন্ন খেয়াল আসবে, অবশেষে তোমাদের অন্তর কল্যাণ থেকে উদাসীন হয়ে সেগুলোর মধ্যেই ডুবে থাকবে।
(মুখতাসার মিনহাজুল আবেদীন, পৃ. ৬২)
মনে রাখবেন! যেভাবে কুরআনে পাকে আল্লাহ পাক কুদৃষ্টি থেকে বাঁচার নির্দেশ দিয়েছেন, সেভাবেই অনেক হাদীস শরীফেও মুসলমান পুরুষদেরকে দৃষ্টি নিচু রাখার এবং আল্লাহ পাকের হারাম করা জিনিস দেখা থেকে বাঁচার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসুন! এ বিষয়ে প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর ৩টি বাণী শুনি:
দৃষ্টিকে নিচু রাখা সম্পর্কে ৩টি হাদীস শরীফ
(১) ইরশাদ হচ্ছে: "তোমরা রাস্তায় বসা থেকে বিরত থাকো।" সাহাবায়ে কিরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان আরয করলেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم! রাস্তায় বসা ছাড়া আমাদের উপায় নেই, আমরা সেখানে বসে কথাবার্তা বলি। ইরশাদ হলো: যদি রাস্তায় বসা ছাড়া তোমাদের কোনো উপায় না থাকে, তবে রাস্তার হক আদায় করো। সাহাবায়ে কিরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَانআরয করলেন: রাস্তার হক কী? ইরশাদ হলো: দৃষ্টি নিচু রাখা, কষ্টদায়ক বস্তু দূর করা, সালামের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami