Share this link via
Personality Websites!
জিনিস দেখতে খুব আনন্দ লাগে, কিন্তু মনে রাখবে! হারাম দৃষ্টিতে পূর্ণ এই চোখগুলোতে একদিন আগুন পূর্ণ করা হবে। তোমার চোখ তো এত নাজুক যে, ছোট একটি মশা বা বালির কণা তাতে ঢুকে গেলে কষ্টের তীব্রতা তোমার পুরো শরীরকে কাঁপিয়ে দেয়। রোদ থেকে হঠাৎ কোনো বন্ধ ঘরে চলে গেলে তোমার দেখার ক্ষমতা এত দুর্বল হয়ে যায় যে, কাছের জিনিসও দেখা যায় না। তাহলে নিজেকে এভাবে ভয় দেখাও যে, আহা! শত কোটি আহা! যদি এই চোখগুলোকে কুদৃষ্টিতে ব্যবহার করার এবং আল্লাহ্ পাকের হারাম করা জিনিস দেখার কারণে কিয়ামতের দিন আযাব দেওয়া হয়, তাহলে আমার কী হবে? আসুন! এখন কুদৃষ্টির শাস্তি সম্পর্কে ৩টি বর্ণনা শুনি এবং শিক্ষা গ্রহন করি। যেমন;
(১) কুদৃষ্টির শাস্তি
হযরত ইবনে আব্বাস رَضِیَ اللهُ عَنْہُمَا বলেন: এক ব্যক্তি নবী করীম
صَلَّی
اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর খেদমতে উপস্থিতহলো, তার শরীর থেকে রক্ত ঝরছিল। রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ
عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমার কী হয়েছে? সে আরয করল: আমার পাশ দিয়ে এক নারী যাচ্ছিল, তো আমি তার দিকে তাকালাম এবং আমার দৃষ্টি অনবরত তার পিছু নিতে থাকল, এমন সময় হঠাৎ আমার সামনে একটি দেয়াল এসে পড়ল, যা আমাকে আহত করে দিল এবং আমার এই অবস্থা করে দিয়েছে, যা আপনি দেখছেন। তখন নবী করীম صَلَّی اللهُ
عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করলেন: আল্লাহ পাক যখন কোনো বান্দার সাথে কল্যাণের ইচ্ছা পোষণ করেন, তখন তাকে দুনিয়াতেই তার শাস্তি দিয়ে দেন।
(মাজমাউয যাওয়াইদ, কিতাবুত তাওবা, ১০/৩১৩, নাম্বার: ১৭৪৭১)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami