Share this link via
Personality Websites!
হযরত হাসসান বিন আবি সিনান رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ঈদের নামাযের জন্য গেলেন। যখন বাড়ি ফিরে এলেন, তখন তাঁর স্ত্রী জিজ্ঞেস করতে লাগলেন: আজ আপনি কতজন মহিলাকে দেখেছেন? তিনি চুপ থাকলেন। যখন স্ত্রী বেশি জোর করলেন, তখন তিনি বললেন: বাড়ি থেকে বের হওয়া থেকে শুরু করে তোমার কাছে ফিরে আসা পর্যন্ত আমি আমার পায়ের আঙ্গুলের দিকে তাকিয়েছিলাম। (কিতাবুল ওয়ার' লি ইবনি আবিদ দুনিয়া, ১/২০৫)
নার্সদের কারণে চোখ বন্ধ করে রাখতেন
বিভিন্ন ইসলামী ভাইদের বর্ণনা রয়েছে যে, আমরা যখন হাজী যমযম রযা আত্তারী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ কে হাসপাতালে নিয়ে যেতাম, তখন তিনি প্রায়ই চোখ বন্ধ করে রাখতেন। এর কারণ হিসেবে তিনি এভাবে ব্যাখ্যা করতেন যে, হাসপাতালে নার্স ইত্যাদি থাকে, আমার ভয় হয় যে, তাদের উপর দৃষ্টি পড়ে গেলো আর সেই অবস্থাতেই আমার রুহ বেরিয়ে গেলো। শূরা সদস্য হাজী আবু রযা মুহাম্মদ আলী আত্তারীর বর্ণনা রয়েছে যে, একবার আমি হাসপাতালে তাঁর সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। সেই সময় আমি দেখলাম যে, তিনি বারবার চোখ বন্ধ করছেন। আমি ভাবলাম হয়তো তাঁর ঘুম আসছে, তাই আমি অনুমতি চাইলাম যে, আপনি ঘুমিয়ে পড়ুন, আমি যাই। তখন তিনি বললেন: আপনি বসুন, আমার ঘুম আসছে না, বরং নার্সদের সামনে আসার আশঙ্কায় আমি চোখ বন্ধ করে নিই, যাতে তাদের উপর দৃষ্টি না পড়ে। (মাহবুবে আত্তারের ১২২টি ঘটনা, পৃষ্ঠা ৫২)
শুনলেন তো আপনারা, আল্লাহ্ওয়ালারা দৃষ্টির হেফাযতের ব্যাপারে কতটা সংবেদনশীল প্রকৃতির হতেন। শক্তি থাকা সত্ত্বেও তারা পর-নারীদের দেখা থেকে নিজেদের বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেন। তাদের এই ব্যাপারে পূর্ণ বিশ্বাস থাকত যে, কেউ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami