Share this link via
Personality Websites!
অর্থাৎ সেই অবস্থায়ও দেখেছি যখন তাঁর দৃষ্টিশক্তি চলে গিয়েছিল এবং সেই অবস্থায়ও দেখেছি যখন দোয়ার বরকতে তাঁকে আবার দৃষ্টিশক্তির নেয়ামত দান করা হয়েছিল এবং তিনি আগের মতোই এখন নিজই মসজিদে যেতেন এবং আপন দয়ালূ প্রতিপালকের ইবাদত করতেন। (উয়ুনুল হিকায়াত, পৃষ্ঠা ১৬৫)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন যে, আমাদের পূর্ববর্তী বুযুর্গানে কিরাম رَحِمَہُمُ اللهُ عَلَیْہِمْ اَجْمَعِیْن কেমন মহান ব্যক্তি ছিলেন। এই মুবারক মনিষীরা যদি কোনো কাজে আখিরাতের উপকার দেখতেন, তবে তার জন্য দুনিয়াবী ক্ষতির পরোয়া করতেন না, কিন্তু দুনিয়াবী লাভের জন্য আখিরাতের ক্ষতি কখনো সহ্য করতেন না।
যেমনটি বর্ণিত ঘটনা থেকে জানা গেল যে, আল্লাহ পাকের প্রিয় ওলী হযরত ইউনুস বিন ইউসুফ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর নিকট এটা তো গ্রহণযোগ্য ছিল যে তাঁর চোখের জ্যোতি চলে যাক, কিন্তু সেই চোখ দিয়ে আল্লাহ পাকের অবাধ্যতা যেন কখনো না হয়। আল্লাহ পাক এই বুযুর্গদের ওসিলায় আমাদেরকেও কুদৃষ্টি থেকে বাঁচার এবং নিজের প্রতিটি অঙ্গকে গুনাহ থেকে সুরক্ষিত রাখার, বিশেষ করে চোখের কুফলে মদীনা লাগানোর তৌফিক দান করো। اٰمین بِجاہِ خاتَمِْالنَّبِیّٖن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! দুর্ভাগ্যবশত মানুষ যেমন কথা বলায় বেপরোয়া, তেমনি দেখায়ও বেপরোয়া। তার এটুকুও অনুভূতি নেই যে, দেখাও এমন একটি কাজ, যা তার জন্য সাওয়াব বা আযাবের কারণ হতে পারে। যেমন; যদি নিজের মাকে ভালবাসার দৃষ্টিতে দেখে, তবে একটি মকবুল হজ্জের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami