Share this link via
Personality Websites!
সাওয়াব পায় আর যদি কোনো নামুহরিমকে কামভাবের দৃষ্টিতে দেখে, তবে জাহান্নামের আগুনের হকদার হয়, কারণ নামুহরিম মহিলাকে দেখা মানুষের কাজ নয়, শয়তানের কাজ। যেমনটি
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ رَضِیَ اللهُ
عَنْہُ থেকে বর্ণিত, নবী করীম
صَلَّی
اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: اَلْمَرْاَةُ
عَوْرَةٌ فَاِذَا خَرَجَتْ اِسْتَشْرَفَهَا الشَّيْطَانُ অর্থাৎ মহিলারা হলো আওরাত অর্থাৎ গোপন রাখার জিনিস, যখন সে বের হয়, তখন শয়তান তাকে উঁকি দিয়ে দেখে।
(তিরমিযী, কিতাবুর রিযা, ২য় অধ্যায়, ১৮/৩৯২, হাদীস: ১১৭৬)
হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম মুহাম্মদ গাযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: যে ব্যক্তি নিজের চোখ বন্ধ রাখতে সক্ষম নয়, সে নিজের লজ্জাস্থানেরও হেফাযত করতে পারে না। (ইহইয়াউ উলুমিদ্দীন, কিতাব কাসরুশ শাহওয়াতাইন, ৩/১২৫)
দৃষ্টির হেফাযতের গুরুত্ব এই বিষয় থেকেও অনুমান করা যায় যে, কুরআন পাকে এর ব্যাপারে সুস্পষ্ট হুকুম দেওয়া হয়েছে। যেমনটি
পারা ১৮, সূরা নূরের ৩০ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হচ্ছে:
قُلْ لِّلْمُؤْمِنِیْنَ یَغُضُّوْا مِنْ اَبْصَارِهِمْ وَ یَحْفَظُوْا فُرُوْجَهُمْؕ-ذٰلِكَ اَزْكٰى لَهُمْؕ-اِنَّ اللّٰهَ خَبِیْرٌۢ بِمَا یَصْنَعُوْنَ(۳۰)
(পারা ১৮, সূরা নূর, আয়াত ৩০)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: মুসলমান পুরুষদেরকে নির্দেশ দিন যেন তারা নিজেদের দৃষ্টিসমূহকে কিছুটা নিচু রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানগুলোর হেফাযত করে। এটা তাদের জন্য খুবই পবিত্র। নিঃসন্দেহে আল্লাহ্র নিকট তাদের কার্যাদির খবর রয়েছে।
মাকতাবাতুল মদীনার কিতাব "মুখতাসার মিনহাজুল আবেদীন"-এর ৬২ নম্বর পৃষ্ঠায় রয়েছে যে, এখানে দৃষ্টি নিচু রাখার হুকুম দেওয়া হয়েছে এবং বান্দার উপর অবশ্য কর্তব্য হলো যে, সে তার মালিকের হুকুম পালন করবে, নতুবা সে বেয়াদব বলে গণ্য হবে এবং তাকে বাধা দিয়ে মালিকের দরবারে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। আর আয়াতে যে বলা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami