Share this link via
Personality Websites!
اِہۡدِ نَا الصِّرَاطَ الۡمُسۡتَقِیۡمَ ۙ(۵) صِرَاطَ الَّذِیۡنَ اَنۡعَمۡتَ عَلَیۡہِمۡ ۙ۬ غَیۡرِ الۡمَغۡضُوۡبِ عَلَیۡہِمۡ وَ لَا الضَّآلِّیۡنَ (۷)
(পারা ১, সূরা ফাতিহা, আয়াত ৫-৭)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: আমাদেরকে সরল পথে পরিচালিত কর, সেই লোকদের পথে যাদের উপর তুমি অনুগ্রহ করেছো। সেই লোকদের পথে নয় যাদের উপর গযব নাযিল করেছো এবং পথ ভ্রষ্টদের পথেও নয়।
আল্লাহ পাক বলেন: এটা আমার বান্দার জন্য এবং আমার বান্দা তাই পাবে যা সে প্রার্থনা করেছে। (মুসলিম, ১১৫ পৃষ্ঠা, হাদীস: ৩৯৫)
سُبْحٰنَ الله! প্রিয় ইসলামী বোনেরা! একটি ভাবুন! এটি কত মহান ফযীলত। সূরা ফাতিহার ৭টি আয়াত রয়েছে, মুসলমান একটি করে আয়াত পাঠ করে, আল্লাহ পাক সেটা শোনেন এবং প্রতিটি আয়াতের উত্তর দেন। আল্লামা ইবনে রজব হাম্বলী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: এটি (অর্থাৎ বান্দার সূরা ফাতিহা পাঠ করা এবং আল্লাহ পাকের উত্তর প্রদান করা) সূরা ফাতিহার একটি বিশেষ ফযীলত যা সূরা ফাতিহা ব্যতীত অন্য কোনো সূরায় পাওয়া যায় না। (তাফসীরে ইবনে রজব হাম্বলী ১ম পারা, সূরা ফাতিহা, ১/৬৮পৃষ্ঠা)
সূরা ফাতিহার বিষয়বস্তুর বর্ণনা
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! সূরা ফাতিহা এমন একটি মহান সূরা যার ৭টি আয়াতে সমগ্র কুরআনের সারসংক্ষেপ বর্ণনা করা হয়েছে, বরং পবিত্র হাদীসে রয়েছে: যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করলো, সে যেন তাওরাত, যবুর, ইঞ্জিল এবং পবিত্র কুরআন (অর্থাৎ চারটি আসমানী মহাগ্রন্থ) তিলাওয়াত করলো। (তাফসীরে দুররে মনসুর, ১ম পারা, সূরা ফাতিহা, ১/১৬ পৃষ্ঠা)
ইমাম হাসান বসরী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ থেকে বর্ণিত, আল্লাহ পাক ১০৪টি গ্রন্থ নাযিল করেছেন এবং সেই ১০৪টি মহান আসমানী গ্রন্থের বিষয়বস্তু তাওরাত, যবুর, ইঞ্জিল এবং পবিত্র কুরআনে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তাওরাত, যবুর ও ইঞ্জিলের যাবতীয় জ্ঞান পবিত্র কুরআনে বর্ণনা করেছেন। আর সূরা ফাতিহায় সমগ্র কুরআনের সকল জ্ঞান একত্রিত করে দিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহার তাফসীর বুঝতে সক্ষম হলো সে যেন সমস্ত আসমানী কিতাবের তাফসীর পড়ে নিলো।
(শুয়াবুল ঈমান, ২/৪৫১ পৃষ্ঠা, হাদীস: ২৩৭১)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami