Share this link via
Personality Websites!
করতেন। নামাযরত অবস্থায়ও নূর নবী রাসূলে আরবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাদেরকে আহ্বান করতেন এবং সাহাবায়ে কেরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان হাত জোড় করে তার দরবারে উপস্থিত হয়ে সেবায় নিয়োজিত হয়ে যেতেন।
হায়! আর আমরা, আমাদের নসিবে এই সৌভাগ্য কোথায়?
মাগার করে কিয়া, নসিব তো ইয়ে নামুরাদী কে দিন লিখে থে
আল্লাহ পাক সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম ও আহলে বায়ত عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان এর প্রতি কোটি কোটি রহমত অবতীর্ণ করুন।
اٰمین بِجاہِ خاتَمِْالنَّبِیّٖیْن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
সূরা ফাতিহা সর্বোত্তম সূরা হওয়ার অর্থ
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! উল্লেখিত দুটি হাদীস থেকে আরও জানা যায় যে, সূরা ফাতিহা পবিত্র কুরআনের শ্রেষ্ঠতম সূরা। এখানে এ বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে যে, সমগ্র কুরআনই মহান আল্লাহর বাণী, তাই এক্ষেত্রে সমগ্র কুরআনই উত্তম। যখন বলা হয় যে অমুক-অমুক সূরা বা অমুক-অমুক আয়াত অধিক ফযীলত পূর্ণ, তখন এর দুটি অর্থ হয়:
(১) এই সূরাটি (যেমন, সূরা ফাতিহা) পড়ার সাওয়াব বেশি (২) দ্বিতীয়ত এই সূরাটির বিষয়বস্তু অন্যান্য সূরার চেয়ে অধিক উচ্চতর। উদাহরণ স্বরূপ, সূরা লাহাবে অমুসলিম আবু লাহাবের আলোচনা এবং সূরা ইখলাসে আল্লাহর একত্ববাদের আলোচনা করা হয়েছে। এটি সাধারণ ভাবে বোঝা যায় যে, আবু লাহাবের মতো অমুসলিমের আলোচনা করা এবং আল্লাহর একত্ববাদের আলোচনা করার মধ্যে আসমান -জমিনের পার্থক্য। এমনিতে তো সূরা লাহাবও আল্লাহর বাণী, সূরা ইখলাসও আল্লাহর বাণী। এই ক্ষেত্রে উভয় সূরা সমান, কিন্তু আলোচ্য বিষয়ের দিক থেকে উভয়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। একই ভাবে, বিষয়বস্তুর দিক থেকে সূরা ফাতিহা পবিত্র কুরআনের অন্য সব সূরার চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
(তাফসীরে ফাতিহা, ৩৮ পৃষ্ঠা)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami