Share this link via
Personality Websites!
(১) ثا হলো সুবুরের প্রথম অক্ষর এবং সুবুর হলো জাহান্নামের একটি নাম (২) جییم জাহিমের প্রথম অক্ষর, এটিও জাহান্নামের একটি নাম (৩) خا খাযয়ুনের প্রথম অক্ষর, এর অর্থ লাঞ্ছনা। (৪) زا হলো জাফির এবং জাক্কুমের প্রথম অক্ষর, জাফির হলো জাহান্নামীদের আওয়াজ এবং জাক্কুম হলো জাহান্নামীদের খাবার (৫) شین; শাহীকের প্রথম অক্ষর, এর অর্থ: জাহান্নামীদের আওয়াজ (৬) ظا জুলুমের প্রথম অক্ষর এবং (৭) فا ফিরাকের প্রথম অক্ষর এবং ফিরাক অর্থ হলো: দূরত্ব। ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: জাহান্নামের ৭টি দরজা রয়েছে এবং সূরা ফাতিহাতে শাস্তি বিষয়ক ৭টি অক্ষর উল্লেখ নেই। তা এই বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করে, যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করে, অন্তর থেকে তার প্রতি ঈমান রাখে, তার প্রকৃত অবস্থা জেনে রাখবে সে জাহান্নামের সাতটি দরজা থেকে নিরাপদ থাকবে। (তাফসীরে কবীর, ১ম পারা, সূরা ফাতিহা ১/১৬০-১৬১ পৃষ্ঠা)
সূরা ফাতিহা হলো সূরায়ে শিফা (আরোগ্য লাভের সূরা)
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! সূরা ফাতিহার বিশেষত্ব ও ফযীলত গুলোর মধ্যে একটি হলো, সূরা ফাতিহা হলো সূরায়ে শিফা (আরোগ্য লাভের সূরা)। এমনিতে তো সমগ্র কুরআন মাজীদেই শিফা বা আরোগ্য রয়েছে - আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
وَ نُنَزِّلُ مِنَ الۡقُرۡاٰنِ مَا ہُوَ شِفَآءٌ وَّ رَحۡمَۃٌ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ ۙ
(পারা ১৫, সূরা বনী ইসরাইল, আয়াত ৮২)
কানযুল ইরফান থেকে অনুবাদ: আর আমি কুরআনে সেই বস্তু সমূহ নাযিল করেছি যা ঈমানদারদের জন্য আরোগ্য ও রহমত।
তবে সূরা ফাতিহাকে বিশেষ ভাবে সূরায়ে শিফা বলা হয়েছে। সুতরাং আল্লাহ পাকের আখেরী নবী, রাসূলে আরবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: هِیَ اُمُّ الْکِتَابِ وَهِیَ شِفَاءٌ مِّنْ کُلِّ دَاءٍ“অর্থাৎ সূরা ফাতিহা হলো উম্মুল কিতাব (অর্থাৎ কুরআনের মূল), এবং এতে রয়েছে প্রতিটি রোগের আরোগ্য। (তাফসীরে দুররে মনসুর, ১ম পারা, সূরা ফাতিহা, ১/১৫ পৃষ্ঠা)
বিচ্ছুর দংশনে আহত ব্যক্তিকে ফুঁক
বুখারী ও মুসলিমে একটি বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে, যার সারমর্ম হলো, একবার ৩০ জন সাহাবী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ সফরে ছিলেন, পথিমধ্যে এক স্থানে এক ব্যক্তি এসে সাহাবীগণকে رَضِیَ اللهُ عَنْہُ জিজ্ঞেস করলো, আমাদের সর্দারকে বিচ্ছু দংশন করেছে, আপনারা কি কিছু করতে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami