Share this link via
Personality Websites!
وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আমাকে ডেকে ইরশাদ করলেন: হে আলী! তোমার মধ্যে (আল্লাহ পাকের নবী হযরত) ঈসা (عَلَيْهِ السَّلَام) এর সামঞ্জস্য রয়েছে (আর তা এভাবে যে) হযরত ঈসা عَلَيْهِ السَّلَام এর প্রতি ইহুদীরা বিদ্বেষ রাখত, এমনকি তাঁর আম্মাজান (হযরত মরিয়ম عَلَيْهَا السَّلَام) এর উপর অপবাদ দিয়েছিল, পক্ষান্তরে হযরত ঈসা عَلَيْهِ السَّلَام এর প্রতি খ্রীষ্টানদের ভালোবাসা রয়েছে, আর এ ভালোবাসা তাদেরকে এমন পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে যা তাঁর মধ্যে ছিলনা।
এ হাদীসে পাক বর্ণনা করার পর শেরে খোদা হযরত আলীউল মুরত্বাদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ইরশাদ করেন: হে লোকেরা!...শুনে নাও! আমার ব্যাপারেও দু’ধরনের মানুষ ধ্বংস হবে: আমার ভালোবাসায় ইফরাত তথা সীমালংঘনকারী হবে, আমার এমন গুণাবলী বৃদ্ধি করবে যা আমার মাঝে নেই এবং আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীদের বিদ্বেষ আমার প্রতি অপবাদ দেয়ার প্রতি উৎসাহিত করবে।
প্রসিদ্ধ তাফসীরকারক, হাকীমুল উম্মত, মুফতী আহমদ ইয়ার খাঁন নঈমী رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ এ হাদীসে পাকের টীকায় লিখেন: আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর ভালোবাসা ঈমানের মূল। তবে হ্যাঁ! ভালোবাসায় সীমালংঘন করা মন্দ কাজ কিন্তু আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর প্রতি বিদ্বেষ প্রকৃতপক্ষে হারাম বরং কখনো কুফরীর পর্যায়ে চলে যায়।
হে আশিকানে রাসূল! বুঝা গেলো, হযরত আলীউল মুরত্বাদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর প্রতি এমন ভালোবাসা যা ভালোবাসা পোষণকারীকে শরীয়তের সীমা ভঙ্গ করে দেয়, এ ভালোবাসা মুক্তিদানকারী নয়, এ ভালোবাসা ঈমানের নিদর্শনও নয় বরং এটা ধ্বংসে নিক্ষেপকারী ভালোবাসা। অবশ্য! হযরত আলীউল মুরত্বাদা, শেরে খোদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর প্রতি ভালোবাসা যদি শরীয়তকে মান্য করে করা হয় তবে এটাই প্রকৃত ভালোবাসা, এটাই মুক্তিদানকারী এবং এটাই এমন ভালোবাসা, যাকে ঈমানের নিদর্শন বলা হয়েছে। এখন মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে, হযরত আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর প্রতি সত্যিকার ভালোবাসা কোনটি? সেটার পরিচয় কি? এ বিষয়ে উলামায়ে কিরামগণ হযরত আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর প্রতি ভালোবাসার কিছু দাবী ও নিদর্শন লিখেছেন, এর মধ্যে দু’টি হচ্ছে:
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami