Share this link via
Personality Websites!
উপার্জন করি, ভাল পরিধান করি এবং বিলাস বহুল জীবন অতিবাহিত করি, রমযান মাসে সাহরী ও ইফতারীতেও বিভিন্ন প্রকারের নেয়ামতের স্বাদ নিই, কিন্তু হায়! গরীব ও অভাবী আত্মীয়, প্রতিবেশী এবং অন্যান্য মুসলমানের কল্যাণ কামনা করা এখন আমরা ভুলে যাওয়া জিনিসের মতো ভুলে গেছি। যাই হোক, আমাদের উচিত যে, আমরা এই মহান মনিষীদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে রমযান ও রমযান ছাড়াও আমলীভাবে মুসলমানদের কল্যাণকামী হয়ে যাওয়া।
মনে রাখবেন! মুসলমানকে ইফতার করানো এবং তাদের পানি পান করানোও কল্যাণ কামনার একটি উপায়। اَلْحَمْدُ لِلّٰه রমযান মাসে ইফতার করানো এবং পানি পান করানোর অনেক ফযীলত রয়েছে।
ইফতার করানোর ফযীলত
প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি হালাল খাবার বা পানি দ্বারা (কোন মুসলমানকে) রোযার ইফতার করালো, ফিরিশতারা রমযান মাসের সময়ে এবং জিব্রাঈল আমিন (عَلَیْہِ السَّلَام) শবে কদরে তার জন্য ক্ষমার দোয়া করে থাকে।
(মু’জামুল কবীর, ৬/২৬২, হাদীস: ৬১৬২)
অপর এক স্থানে ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি রোযাদারকে পানি পান করাবে আল্লাহ পাক তাকে আমার হাউস থেকে পান করাবেন, সে জান্নাতে প্রবেশ করা পর্যন্ত পিপাসার্ত হবে না। (ইবনে খুযাইমা, কিতাবুস সিয়াম, ৩/১৯১, হাদীস: ১৮৮৭)
হে আশিকানে রাসূল! এমনিতে তো আল্লাহ পাক আমাদের উপর অসংখ্য দয়া রয়েছে, বছরের ১২টি মাসই তাঁর দান ও দাক্ষিন্যের দরজা আমরা গুনাহগারদের জন্য দিন রাত খোলা থাকে কিন্তু রমযানুল মুবারক আল্লাহ পাকের সেই মহান নেয়ামত, যার জন্য আমরা তাঁর যতই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি না
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami