Share this link via
Personality Websites!
অধিকহারে তিলাওয়াত করতে দেখা যায়, কিন্তু হায়! অনেক বদ নসীব লোক এই পবিত্র মাসেও এই মহান সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত রয়ে যায়, আমাদের এই ব্যাপারে আমার বুযুর্গদের অনুসরণ করে তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলা উচিত। اَلْحَمْدُ لِلّٰه আমাদের বুযুর্গানে দ্বীন رَحِمَہُمُ اللهُ الْمُبِيْن এই পবিত্র মাসে একবার নয় বরং দিনে কয়েকবারও কুরআন খতম করার সৌভাগ্য অর্জন করতেন।
সা’আদ বিন ইব্রাহিম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর রুটিন
হযরত সায়্যিদুনা সাআদ বিন ইব্রাহিম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ রমযানুল মুবারকের একুশতম (২১), তেইশতম (২৩), পঁচিশতম (২৫), সাতাইশতম (২৭) এবং উনত্রিশতম (২৯) দিনে ততক্ষণ পর্যন্ত ইফতার করতেন না, যতক্ষণ পর্যন্ত কুরআনে করীম খতম করে না নিতেন, মাগরীব ও ইশার মধ্যখানে আখিরাতের ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করতে থাকতেন এবং প্রায়ই ইফতারের সময় আমাকে মিসকীনদের ডাকার জন্য পাঠাতেন, যাতে তারাও তাঁর সাথে খায়। (হিলইয়াতুল আউলিয়া, সা’আদ বিন ইব্রাহিম যুহরী, ৩/১৯৯, নম্বর: ৩৬৯৫)
سُبْحٰنَ الله! কুরআনে করীমের প্রতি ভালবাসা, তিলাওয়াতের আগ্রহ এবং রমযানের গুরুত্ব প্রদান করা তো এই ব্যক্তিত্বদের থেকে শিখুন, যারা ক্ষমার মাসে অধিকহারে কুরআনের তিলাওয়াত করতেন, আমাদেরও উচিত যে, রমযান মাসে অধিকহারে কুরআনের তিলাওয়াতের নিয়ত করে নেয়া এবং আল্লাহ পাকের এই মেহমানের যথাযত সম্মান করে আনন্দচিত্তে একে স্বাগত জানানো। আসুন! উৎসাহ গ্রহণার্থে কুরআনের তিলাওয়াতের কিছু ফযীলত শুনি।
কুরআন তিলাওয়াতের ফযীলত
* তিলাওয়াতকারীর প্রশংসা কুরআনেই করীমে বর্ণিত হয়েছে। (১ম পারা, বাকারা, আয়াত ১২১) * কুরআনে পাককে ভালবাসা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami