Ramazan Ki Amad Marhaba

Book Name:Ramazan Ki Amad Marhaba

صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب!          صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد

    হে আশিকানে রমযান! রোযা অবস্থায় আমাদের যে বিষয়টি অনেক বেশি আবশ্যক তা হলো যে, আমরা পানাহার থেকে বিরত থাকা পাশাপাশি নিজের শরীরের সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গকেও (Body Parts) রোযার অনুসারী বানানো এবং নিজেকে সকল প্রকার মন্দ কাজ থেকে বাঁচান কেননা আমরা রমযানুল মুবারক মাসে তো রোযা রেখে দিনে পানাহার করা ছেড়ে দিই অথচ এই পানাহার এর পূর্ব দিনও একেবারেই জায়িয ছিলো অতঃপর নিজেই চিন্তা করুন, যে বিষয় রমযান শরীফের পূর্বে হালাল ছিলো তাও যখন এই মুবারক মাসের পবিত্র দিনগুলোতে নিষেধ করে দেয়া হয়েছে, তবে যে বিষয়গুলো রমযানুল মুবারকের পূর্বেও হারাম ছিলো, যেমন; মিথ্যা, গীবত, চুগলী, কু-ধারণা, গালি-গালাজ, সিনেমা-নাটক দেখা, গান-বাজনা শুনা, দাঁড়ি মুন্ডন করা বা এক মুষ্টি থেকে ছোট করা, পিতা-মাতাকে কষ্ট দেয়া, শরীয়তের বিনা অনুমতিতে মানুষের মনে কষ্ট দেয়া ইত্যাদি সেই রমযানুল মুবারকে কেন আরো বেশি হারাম হয়ে যাবে না? এবার চিন্তা করুন! যে ব্যক্তি পবিত্র হালাল খাবার পানীয় তো ছেড়ে দেয় কিন্তু হারাম এবং দোযখে নিয়ে যাওয়ার কাজ অব্যাহত রাখে, তা কোন ধরনের রোযা?

    মনে রাখবেন! নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি মন্দ কথা বলা এর উপর আমল করা ছাড়ে না, তবে তার ক্ষুধা পিপাসার্ত থাকা আল্লাহ পাকের নিকট কোন প্রয়োজন নেই (বুখারী, কিতাবুস সওম, /৬২৮, হাদীস: ১৯০৩)

তোমাকে দিয়েই রোযা খুলবো!

    প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আফসোস! অনেক মুসলমানের অবস্থা এমনভাবে খারাপ হয়ে গেছে যে, রমযানুল মুবারকের