Ramazan Ki Amad Marhaba

Book Name:Ramazan Ki Amad Marhaba

صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب!          صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد

রমযানের আগমনে আয়োজনের ধরন

    রমযানুল মুবারকের আগমন সন্নিকটে এবং ইতিহাস লেখক প্রসিদ্ধ বুযুর্গ হযরত ওয়াকেদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর নিকট কিছুই ছিলো না। তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ তার এক আলাভী (আলাভী বলা হয়, আমীরুল মুমিনীন হযরত আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর ঐ সকল সন্তান, যারা হযরত সায়্যিদা ফাতিমা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এর মুবারক গর্ভজাত নয়) বন্ধুর নিকট চিঠি (Letter) পাঠালেন: রমযান শরীফের মাস আসছে এবং আমার নিকট খরচের জন্য কিছুই নেই, আমাকে করযে হাসানহিসেবে এক হাজার (১০০০) দিরহাম পাঠাও।অতএব ঐ আলাভী এক হাজার (১০০০) দিরহামের থলে পাঠিয়ে দিলেন। কিছুক্ষণ পর হযরত ওয়াকেদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর এক বন্ধুর চিরকুট (Letter) হযরত ওয়াকেদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর নিকট এসে পৌঁছলো, তাতে লিখা ছিলো: রমযান শরীফের মাসে খরচের জন্য আমার এক হাজার (১০০০) দিরহামের প্রয়োজন।হযরত ওয়াকেদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ঐ থলে সেখানেই পাঠিয়ে দিলেন। পরদিন ঐ আলাভী বন্ধু যাঁর নিকট থেকে হযরত ওয়াকেদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ঋণ (Loan) নিয়েছিলেন এবং ঐ দ্বিতীয় বন্ধু যিনি হযরত ওয়াকেদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ থেকে ঋণ নিয়েছিলেন, উভয়ে হযরত ওয়াকেদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর ঘরে আসলেন। আলাভী বললেন: রমযানুল মুবারকের মাস আসছে আর আমার নিকট এই এক হাজার (১০০০) দিরহাম ব্যতীত আর কিছু ছিলো না। কিন্তু যখন আপনার চিঠি এলো, তখন আমি এক হাজার (১০০০) দিরহাম আপনার নিকট পাঠিয়ে দিলাম এবং আমার প্রয়োজন মেটানোর জন্য আমার এ বন্ধুর নিকট চিরকুট (Letter) লিখলাম যে, আমাকে এক হাজার দিরহাম ঋণ হিসেবে যেন পাঠিয়ে দেয়। তিনি ঐ থলে, যা আমি আপনাকে