Share this link via
Personality Websites!
চোগলখুরী থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করা উচিৎ। নেককার লোকদের সাথে সাক্ষাত করা উচিৎ এবং মন্দ লোকদের থেকে দূরে থাকা উচিৎ।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
সন্তানের সাথে পিতামাতার সম্পর্ক
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! যদি আমরাও চাই যে, আমাদের সন্তানও নেককার ও পরহেযগার হোক, তবে তাদেরকে ভালোভাবে প্রশিক্ষিত করুন, বুযুর্গদের পদ্ধতিতে তাদের সংশোধন করুন, নেকীর প্রতি আগ্রহী করুন এবং নিজেও নেক আমল সম্পাদনকারী হয়ে যান। মনে রাখবেন! সাধারণত সন্তান পিতামাতার স্বভাব ও আচরণ অনুসরন করে থাকে, যদি পিতামাতা শরীয়তের অনুসারী এবং ইলমে দ্বীন অর্জনে আগ্রহী হয় তবে তাদের বংশধররাও নেকীর পথে পরিচালিত হবে আর পিতামাতার মুক্তি ও ক্ষমা এবং সুনামের উপলক্ষ্য হবে, আর যদি পিতামাতা নিজেরাই খারাপ অভ্যাসের শিকার হয় তবে সন্তানের মাঝেও সেই মন্দ স্বভাব স্থানান্তরিত হয়ে যায় এবং এরূপ সন্তান মুক্তির উপলক্ষ্য নয় বরং ধ্বংসের কারণ হবে।
আসুন! সন্তানের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে আমাদেরকে মানসিকতা প্রদানকারী আক্বা, আমাদের এবং আমাদের সন্তানকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষাকারী মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর ৩টি বাণী শুনি:
সন্তানের প্রশিক্ষণ সম্পর্কিত প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র বাণী
১. নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم (যখন) এই আয়াতে মুবারাকা তিলাওয়ত করেন:
قُوْۤا اَنْفُسَکُمْ وَ اَہْلِیْکُمْ نَارًا
(পারা ২৮, সূরা তাহরীম, আয়াত ৬) কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: নিজেদেরকে ও নিজেদের পরিবারবর্গকে ঐ আগুন থেকে রক্ষা করো।
তখন সাহাবায়ে কিরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان আরয করলেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم! আমরা আমাদের পরিবারবর্গকে কিভাবে বাঁচাবো? তখন তিনি صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: তাদেরকে ঐ সকল কাজের নির্দেশ দাও যা আল্লাহ পাকের পছন্দ আর ঐ সকল কাজ থেকে নিষেধ করো, যা আল্লাহ পাকের অপছন্দ। (দুররে মনসুর, ৮/২২৫)
২. ইরশাদ হচ্ছে: নিজের সন্তানকে তিনটি অভ্যাস শিক্ষা দাও (১) নিজের নবী (صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم) ’র ভালোবাসা (২) আহলে বাইতের ভালোবাসা এবং (৩) কুরআনে পাকের শিক্ষা। (জামেয়ে সগীর, ২৫ পৃষ্ঠা, হাদীস ৩১১)
৩. ইরশাদ হচ্ছে: কোন পিতা তার সন্তানকে এমন এমন উপহার দেয়নি, যা ভালো আদব শিক্ষা থেকে উত্তম। (তিরমিযী, ৩/৩৮৩, হাদীস ১৯৫৯)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami