Share this link via
Personality Websites!
gmwR‡`i নিয়্যত করে নিন! * এবার জামাআতের Rb¨ অপেক্ষা Kiæb, বিশ্বাস করুন! নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকাও উপকারী।
প্রত্যেক নামাযের পর ৪টি কাজ করুন!
ইমাম গাযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: প্রত্যেক নামাযের পর ৪টি কাজ করা উচিৎ: (১) তিলাওয়াত করুন (২) যিকির আযকার করুন (৩) চিন্তাভাবনা করুন (৪) দোয়া প্রার্থনা করুন।
(ইহইয়াউল উলুম, কিতাব: তারতীবুল আওরাদ, ১/৪৪৭)
যদি আপনার সময় থাকে তবে দিন আর যদি সময় কম হয় তবুও সমস্যা নাই, এই চারটি কাজ ৫ মিনিটেও করা যায়, যেমন; শুধুমাত্র ৩ আয়াতের তিলাওয়াত করে নিন, এভাবে তিলাওয়াত করাতে হয়তো এক মিনিট লাগবে, সংক্ষিপ্ত অযিফা পাঠ করে নিন, তাসবীহে ফাতিমা পাঠ করে নিন বা আপনার পীর সাহেবের পক্ষ থেকে প্রদানকৃত অযিফা রয়েছে এক থেকে দেড় মিনিটে তা পাঠ করে নিন, অতঃপর শুধু এক মিনিটের জন্য চোখ বন্ধ করে কবর ও আখিরাত, মৃত্যু, কিয়ামতের দিন উঠা, আল্লাহ পাকের দরবারে উপস্থিত হওয়ার কল্পনা করে নিন! অবশেষে দোয়া প্রার্থনা করে নিন! এভাবে এই চারটি কাজ اِنْ شَآءَ الله ৫ মিনিটেই হয়ে যাবে।
(৩) দিনের প্রথম ও শেষ সময়ে নেকীতে অতিবাহিত করুন!
দিন ও রাতের শিডিউল বানানো সম্পর্কে তৃতীয় মাদানী হলো: দিনের শুরুতে এবং শেষ সময়ে নেক কাজের জন্য সময় বরাদ্দ করুন! কেননা এই দু’টি সময় খুবই বরকতময় ও অনেক বেশি ¸iæZ¡c~Y©। আল্লাহ পাক কুরআনে করীমে ইরশাদ করেন:
فَسُبۡحٰنَ اللّٰہِ حِیۡنَ تُمۡسُوۡنَ وَ حِیۡنَ تُصۡبِحُوۡنَ(পারা ২১, সূরা রোম, আয়াত ১৭)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: সুতরাং আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করো যখন তোমাদের সন্ধ্যা হয় এবং যখন সকাল হয়।
পারা ১৩ সূরা রাআদে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
لَہٗ مُعَقِّبٰتٌ مِّنۡۢ بَیۡنِ یَدَیۡہِ وَ مِنۡ خَلۡفِہٖ یَحۡفَظُوۡنَہٗ مِنۡ اَمۡرِ اللّٰہِ
(পারা ১৩, সূরা রাআদ, আয়াত ১১) কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: মানুষের জন্য পালাক্রমে আগমনকারী ‡d‡ikZv রয়েছে তাঁর সম্মুখে ও পশ্চাতে, যারা আল্লাহর আদেশে তাঁর রক্ষণাবেক্ষণ করে।
তাফসীরে সীরাতুল জিনানে এই আয়াতে করীমার আলোকে রয়েছে: অধিকাংশ মুফাসসীরদের মতে এই ‡d‡ikZv দ্বারা দিন ও রাতে wbivcËv প্রদানকারী ‡d‡ikZv উদ্দেশ্য, এদেরকে পরিবর্তন করে পর্যায়ক্রমে আমগনকারী এই কারণে বলা হয়েছে যে, যখন রাতের ‡d‡ikZv আসে তখন দিনের ‡d‡ikZvরা চলে যায় আর দিনের ‡d‡ikZvরা এলে তবে রাতের ‡d‡ikZvরা চলে যায়।
(তাফসীরে কবীর, পারা ১৩, সূরা রাআদ, ১১নং আয়াতের পাদটিকা, ৭/১৭)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami