Husn e Zan Ki Barkaten

Book Name:Husn e Zan Ki Barkaten

    প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! পাহাড়ের চূড়ায় ৬০ বছর ধরে আল্লাহ ইবাদতকারীর তুলনায় একজন মুচির বড় মর্যাদা অর্জিত হলো নেক পূণ্যবান মুচির বৈশিষ্ট্য ছিলো যে তিনি সারাদিন হালাল রিযিক উপার্জন করতেন, হারাম থেকে বাঁচতেন, তারপর অর্ধেক সম্পদ আল্লাহ রাস্তায় সদকা করে দিতেন নেক পূণ্যবান মুচির আরেকটি আমল ছিলো যে, তিনি বেশি পরিমাণে রোযা রাখতেন, আর বিশেষ করে আমল যার ভিত্তিতে নেক পূণ্যবান মুচিকে ৬০ বছর ধরে ইবাদত করে আসা আবিদের তুলনায় বেশি সম্মান দেওয়া হয়েছে, বিশেষ আমল হলো যে, তিনি সবার প্রতি সুধারণা রাখতেন এবং সকলকে নিজের চাইতে ভালো জানতেন নিজেকে ছাড়া সবাইকে জান্নাতী মনে করতেন, আর তার নিজের অবস্থা ছিলো এমন যে, জাহান্নামের ভয়ে তার চেহারা হলুদ হয়ে গিয়েছিলো

    প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! সুধারণা এমন এক সুউচ্চ ইবাদত আমাদের বুকের প্রকোষ্ঠে স্পন্দনরত হৃদয় কি আমাদের আমলনামায় নেকী বাড়ানোর কারণ হবে নাকি গুনাহের পাল্লা ভারি করতে সমান হারে অংশ নেবে? যখন হাশরের ময়দানে হাত, পা, কান, চোখ ইত্যাদি থেকে হিসাব নেওয়া হবে, তখন এই হৃদয়ও সব অঙ্গের সাথে শামিল হবে যদি মুসলমানদের ব্যাপারে ভালো ধারণা রাখা যায়, তবে এই হৃদয়ও আমাদের নেকী বাড়ানোর কারণ হবে আর যদি কোনো কারণ ছাড়া মুসলমানের প্রতি খারাপ ধারণা করা হয়, তবে মনে রাখবেন! ব্যাপারেও পাকড়াও করার আশঙ্কা রয়েছে যেমন- ১৫ পারা সূরা বনী ইসরাঈল ৩৬নং আয়াতের মধ্যে ইরশাদ হচ্ছে;

 

اِنَّ السَّمۡعَ وَ الۡبَصَرَ وَ الۡفُؤَادَ کُلُّ اُولٰٓئِکَ کَانَ عَنۡہُ مَسۡـُٔوۡلًا (۳۶)

কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: নিশ্চয়ই কান, চোখ হৃদয় এগুলোর প্রত্যেকটা সম্পর্কে কৈফিয়ত তলব করা হবে

    সায়্যিদী আলা হযরত رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন- ঐ হৃদয় যার মধ্যে সম্পূর্ণ শরীরের কল্যাণ কামনার প্রেরণা বিদ্যমান থাকে। যদি কোনো অঙ্গের কষ্ট হয়, তবে হৃদয় তৎক্ষণাৎ পেরেশান হয়ে যায়। আর আমাদের অবস্থা হলো যে, আমাদের অন্তর নিজেই গুনাহ করে