Share this link via
Personality Websites!
কথা শুনে আল্লাহ পাকের নবী عَلَیْہِ السَّلَام এর দয়া আসলো, তিনি হাত উঠালেন, আল্লাহ পাকের দরবারে দোয়া করলেন: হে আল্লাহ পাক! এই পাথরটিকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দান করো। আল্লাহ পাক তাঁর দোয়া কবুল করলেন এবং তৎক্ষণাৎ অহী প্রেরণ করলেন আমি এই পাথরটিকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করে দিলাম। আল্লাহ পাকের নবী عَلَیْہِ السَّلَام পাথরকে এই সুসংবাদ শুনালেন এবং সামনে অগ্রসর হলেন, যখন পুনরায় ফিরে আসলেন তখন দেখলেন, পাথর থেকে এখনও পানি প্রবাহিত হচ্ছে, আল্লাহ পাকের নবী عَلَیْہِ السَّلَام জিজ্ঞাসা করলেন: তোমার তো জাহান্নাম থেকে মুক্তির সুসংবার মিলে গেছে, এখন কি হলো? এখন কেনো কান্না করছো? পাথর বলল: ذٰلِکَ کَانَ بُکَاءَ الْخَوْفِ وَ ہٰذَا بُکَاءُ الشُّکْرِ অর্থাৎ পূর্বে আল্লাহর ভয়ে কান্না করছিলাম, এখন কৃতজ্ঞতার অশ্রু প্রবাহিত করছি। (রিসালা কুশাইরিয়া, ২১৩ পৃষ্ঠা)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আল্লাহ পাকের দয়া ও অনুগ্রহে আমাদেরও রমযানুল করীম নসীব হয়েছে, যদিওবা আমাদের মধ্যে কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না যে মাগফিরাত হয়ে গেছে, অবশ্যই আমাদের মাগফিরাতের অনেক বড় মাধ্যম হয়েছে * মাহে রমযানের প্রতিটি মুহূর্ত বরকত সম্পন্ন * রমযানুল মুবারকে প্রতিদিন ইফতারের সময় ১০ লক্ষ এমন গুনাহগারদের ক্ষমা হয়ে থাকে, যাদের উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেছে * আর জুমার দিন তো প্রতিটি মুহূর্তে ১০ লাখ লোককে ক্ষমা করে দেয়া হয়। হায়! আমারাও যেন সেই ক্ষমা প্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যায়।
আল্লাহ পাক আমাদেরকে ক্ষমা ও মাগফিরাতের এমন মাধ্যম দান করেছেন, আমাদের উপর আবশ্যক যে মুখ দিয়েও সেটার শোকরিয়া আদায় করা এবং সাথে সাথে আমলী ভাবেও
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami