Share this link via
Personality Websites!
গাযালি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: اَلْجُوْعُ رَاْسُ مَالِنَا অর্থাৎ ক্ষুধা হলো আমাদের মূলধন, উদ্দেশ্য এঁটা যে, আমাদের আউলিয়ায়ে কেরামদের যেই মর্যাদা, নিরাপত্তা, ইবাদতে স্বাদ ও কল্যাণকর ইলম অর্জিত হতো, এসবকিছু আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির জন্য ক্ষুধা সহ্য করার কারণেই অর্জন হতো, (মিনহাজুল আবেদীন, ২২৯ পৃষ্ঠা) ক্ষুধা হলো আল্লাহ পাকের ভান্ডারসমূহ থেকে একটি ভান্ডার, যেটা আল্লাহ পাক শুধুমাত্র তাঁর পছন্দনীয় বান্দাদেরকেই দান করে থাকেন।
(ইহয়াউল ঊলুম, খন্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ১০৭)
হে আশিকানে রাসূল! যেমনিভাবে আমরা রমযান মাসের রোযা পালন করে দিনভর ক্ষুধা পিপাসা সহ্য করে থাকি, রমযানের স্পৃহা অব্যাহত রাখার জন্য রমযান মাসের পরও ক্ষুধা পিপাসা সহ্য করি তবে اِنْ شَآءَ الله নফসে আম্মারা দূর্বল হয়ে পড়বে এবং তাকওয়া নসীব হবে।
ক্ষুধার বরকত অর্জন করার সর্বোত্তম মাধ্যম হলো রোযা, প্রচেষ্টা চালিয়ে রমযান মাসের পরও নফল রোযা রাখার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা যায় তবে اِنْ شَآءَ الله সারা বছর রমযানের স্পৃহা অব্যাহত থাকবে।
(১) যে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির জন্য একদিন নফল রোযা রাখলো তবে আল্লাহ পাক তার ও জাহান্নামের মাঝখানে একটি দ্রুতগামী বাহনের ৫০ বছরের দূরত্ব পর্যন্ত দূরে করে দিবেন। (কানযুল উমাল, অংশ: ৮, পৃষ্ঠা: ২৫৫, হাদীস: ২৪১৪৯) (২) হযরত আবু উমামা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: আমি আরজ করলাম,ইয়া রাসূলাল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আমাকে এমন আমলের কথা বলুন যেটার কারণে জান্নাতে প্রবেশ করবো। ইরশাদ করলেন: রোযা রাখাকে নিজের জন্য আবশ্যক করে নাও কেননা সেটার মতো কোন আমল নেই।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami