Share this link via
Personality Websites!
ভালবাসা রয়েছে? আমার তাঁর দয়ার পরিবর্তে তাঁকে কতটুকু খুশি করেছি এবং তাঁর বাণী অনুযায়ী আমরা কতটুকু আমল করছি? একটু ভাবুন! যারা নিজের পিতামাতাকে ভালবাসে, তারা কখনোই তাদের মনে কষ্ট দেয় না, যাদের নিজেদের সন্তানদের প্রতি ভালবাসা রয়েছে তারা তাদেরকে দুঃখ পেতে দেয় না, কেউই তাদের বন্ধুকে চিন্তিত দেখা পছন্দ করে না, কেননা যাকে ভালবাসে তাকে দুঃখ দেয়া যায় না, কিন্তু আহ! বর্তমানে অধিকাংশ মুসলমান রাসূলের ভালবাসার দাবী করে থাকে, কিন্তু তাদের কাজ প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে আনন্দ প্রদানকারী নয়, সে কিভাবে রাসূলের প্রেমিক, যে নামায থেকে পালিয়ে বেড়ায়, জেনে শুনে নামায কাযা করে প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নূরানী অন্তরের জন্য কষ্টের কারণ হয়। এটা কেমন ভালবাসা এবং কেমন প্রেম যে, প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم রমযান মাসের রোযা রাখার প্রতি জোর দিয়েছেন কিন্তু স্বয়ং রাসূলের প্রেমিক দাবীদাররাই এই নির্দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে ফরয রোযা ছেড়ে দেয়। হুযুরে আকরাম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তারাবীর নামাযের প্রতি জোর দিয়েছেন কিন্তু অলস উম্মতরা পড়তে পারে না। প্রিয় মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم দাড়ি রাখার আদেশ দিয়েছেন কিন্তু আশিকে রাসূলের দাবীদাররা ফ্যাশনের (Fashion) প্রেমিক, রাসূলের শত্রুদের ন্যায় চেহারা বানিয়ে রাখে, এটাই কি ইশকে রাসূল?
আসুন! মিলেমিশে নিয়ত করি যে, আজ থেকে আমাদের কোনো নামায কাযা হবে না اِنْ شَآءَ الله। আজ থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামায মসজিদের প্রথম সারিতে তাকবীরে উলার সহকারে আদায় করবো اِنْ شَآءَ الله। রমযানের কোন রোযা কাযা করবো না اِنْ شَآءَ الله। যাকাত ফরয হলে তবে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami