Share this link via
Personality Websites!
উপকৃত হয়, اِنْ شَآءَ الله কিয়ামতের দিনও এরূপ ব্যক্তিরা খালি হাতে ফিরবে না, সুতরাং আমাদের উচিৎ যে, আমরাও যেন প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর দরবারে উঠতে বসতে, চলতে ফিরতে, মোটকথা সর্বদা (Every time) দরূদে পাকের উপহার প্রদান করতে থাকি, اِنْ شَآءَ الله দরূদে পাকের বরকতে দুনিয়াও সজ্জিত হয়ে যাবে এবং আখিরাতও সজ্জিত হয়ে যাবে।
এই ঘটনা দ্বারা একটি বিষয় এটাও জানা গেলো যে, নবীয়ে করীম, রউফুর রহীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم নিজের উম্মতকে অত্যধিক ভালবাসেন, কিয়ামতে যখন চারিদিকে নফসী নফসীর অবস্থা হবে, সেই দিন যার সম্পর্কে আল্লাহ পাক নিজের পবিত্র বাণী কুরআনে করীমে ইরশাদ করেন:
یَوْمَ یَفِرُّ الْمَرْءُ مِنْ اَخِیْهِۙ(۳۴) وَ اُمِّهٖ وَ اَبِیْهِۙ(۳۵) وَ صَاحِبَتِهٖ وَ بَنِیْهِؕ(۳۶) لِكُلِّ امْرِئٍ مِّنْهُمْ یَوْمَىٕذٍ شَاْنٌ یُّغْنِیْهِؕ(۳۷)
(পারা ৩০, সূরা আবাসা, আয়াত ৩৪-৩৭)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: সেদিন মানুষ পলায়ন করবে নিজ ভাই, মাতা ও পিতা এবং স্ত্রী ও সন্তানদের থেকে। তাদের মধ্যে প্রত্যেকের সেদিন একটা মাত্র ভাবনা থাকবে, যা-ই তাকে (অন্যের ভাবনা থেকে) বিরত রাখবে।
উৎসর্গীত হয়ে যান! এরূপ বিপদসঙ্কুল সময়েও দয়ালু আক্বা
صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم নিজের গুনাহগার উম্মতের জন্য অস্থির হয়ে যাবেন, তাদেরকে নিজের দয়াময় আঁচলে ঢেকে নিবেন, আল্লাহ পাক থেকে তাদের ক্ষমা করিয়ে নিবেন এবং আল্লাহ পাকের দরবারে সুপারিশ করিয়ে তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami