Share this link via
Personality Websites!
প্রতিপালকের ফেরেশতারা! থামো।” তাঁরা আরয করবে: “আমরা আদেশপ্রাপ্ত ফেরেশতা, যে কাজের জন্য আল্লাহ পাক আমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন সেটার অবাধ্যতা আমরা করিনা, আমরা তাই করি যা আমাদের আদেশ দেয়া হয়েছে।” তখন প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم দুঃখিত হয়ে নিজের দাড়ি মুবারককে বাম হাতে ধরবেন এবং আরশের দিকে হাতে ইঙ্গিত করে বলবেন: “হে আমার পরওয়ারদিগার! তুমি কি আমার সাথে ওয়াদা করোনি যে, আমাকে আমার উম্মতের ব্যাপারে অপদস্থ করবেনা।” আরশ থেকে আওয়াজ আসবে: “হে ফেরেশতা! মুহাম্মদ (صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم) এর আনুগত্য করো এবং তাকে ফিরিয়ে দাও।” অতঃপর রাসূলে পাকصَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم নিজের একটি থলে থেকে একটি সাদা কাগজ বের করবেন এবং সেটাকে মীযানের ডান পাল্লায় রেখে বলবেন: “بِسْمِ الله” অতঃপর নেকীর পাল্লা গুনাহের পাল্লার চেয়ে ভারী হয়ে যাবে। আওয়াজ আসবে: “সৌভাগ্যবান, সৌভাগ্যশালী হয়ে গেলো এবং তার মীযান ভারী হয়ে গেলো। তাকে জান্নাতে নিয়ে যাও। ঐ বান্দা বলবে: “হে আমার প্রতিপালকের ফেরেশতা! একটু দাড়াও, আমি এই বান্দার সাথে কথা বলে নিই, যিনি আল্লাহ পাকের দরবারে এতোই সম্মানিত।” এরপর সে আরয করবে: “আমার মাতা-পিতা আপনার উপর উৎসর্গ হোক! আপনার নূরানী চেহারা কতই না সুন্দর এবং আপনার আকৃতিও অনেক সুন্দর, আপনি আমার ভূলত্রুটি ক্ষমা করিয়ে আমার অশ্রুর প্রতি দয়া করেছেন (আপনি কে?)।” তখন হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করবেন: আমি তোমার নবী মুহাম্মদ (صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم) আর এগুলো তোমার ঐ দরূদ যা তুমি আমার প্রতি প্রেরণ করতে, তা তোমাকে পুরোপুরি উপকৃত করেছে, যা তোমার প্রয়োজন ছিল। (মাওসূআহ ইবনে আবিদ দুনইয়া ফী হুসনিয যান্নে বিল্লাহ, ১/৯১, হাদীস ৭৯)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami