Share this link via
Personality Websites!
475403
9342
শায়খুল হাদিস হযরত আল্লামা আব্দুল মুস্তফা আযমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ তাঁর কিতাব ‘সিরাতে মুস্তফা’ তে লিখেন: আরবের সম্ভ্রান্ত পরিবারগুলোর অভ্যাস ছিল যে, তাঁরা নিজেদের সন্তানদের দুধ পান করানোর জন্য আশপাশের গ্রামগুলোতে পাঠিয়ে দিতেন। গ্রামের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আবহাওয়ায় শিশুদের শারীরিক স্বাস্থ্য ও শরীর গঠন যেমন ভালো হতো, তেমনি তারা খাঁটি ও ফাসিহ (সাবলীল) আরবি ভাষাও শিখতে পারত। কারণ বহিরাগত লোকদের মেলামেশার ফলে শহরের ভাষা খাঁটি, ফাসিহ ও বলিগ (অলংকারপূর্ণ) থাকত না। হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে দুধ পান করানোর সৌভাগ্য হযরত হালিমাতুস সাদিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہَا অর্জন করেছেন। তিনি রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর শৈশবে দুধ পানকালীন মুজিযাসমূহ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন: আমি বনু সা'দ গোত্রের নারীদের সাথে দুধপোষ্য শিশুদের সন্ধানে মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম। আমার কোলে একটি শিশু ছিল, কিন্তু অভাব-অনটন ও দরিদ্রতার কারণে আমার স্তনে তাকে পেট ভরে দুধ পান করানোর মতো পর্যাপ্ত দুধ ছিল না। সারারাত শিশুটি ক্ষুধার তাড়নায় ছটফট করত এবং কান্নাকাটি করত, আর আমরা তাকে শান্ত করার এবং সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করে পুরো রাত বসেই কাটিয়ে দিতাম। আমাদের কাছে একটি উটনীও ছিল, কিন্তু সেটির ওলানেও কোনো দুধ ছিল না। মক্কা মুকাররমার সফরে আমি যে খচ্চরের পিঠে সওয়ার ছিলাম, সেটিও এতটাই শীর্ণ ও দুর্বল ছিল যে কাফেলার অন্যান্যদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছিল না; আমার সহযাত্রীরাও এর ওপর অতিষ্ট হয়ে পড়েছিল। চরম কষ্ট ও কঠিন পথ অতিক্রম করে এই সফর শেষ হলো। (অবশেষে এই কাফেলা মক্কায় পৌঁছে গেল এবং বনু সা’দের নারীরা দুধ পান করানোর জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে শিশুর সন্ধান করতে লাগল। সেইসব নারীদের সকলেই দুধ পান
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami