Share this link via
Personality Websites!
475398
9341
ঐ সমস্ত লোকদের জন্য হবে, যারা রাত জেগে ইবাদত করে, নামায আদায় করে, আল্লাহ্ তাআলার যিকির করে কিংবা কিতাব পাঠ করে অথবা অধ্যয়নে ব্যস্ত থাকে। কেননা, রাত জাগার কারণে যে ক্লান্তি আসে তা দূর হয়ে যাবে। (বাহারে শরীয়ত, ১৬তম অংশ, ৭৯ পৃষ্ঠা) * দিনের শুরুতে কিংবা মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময়ে ঘুমানো মাকরূহ। (আলমগিরী, ৫ম খন্ড, ৩৭৬ পৃষ্ঠা) * পবিত্রাবস্থায় ঘুমানো মুস্তাহাব এবং * কিছুক্ষণ ডান পার্শ্ব হয়ে ডান হাত গালের নিচে রেখে কিবলামুখী হয়ে শয়ন করুন এরপর বাম পার্শ্ব হয়ে শয়ন করুন। (প্রাগুক্ত) * শয়ন করার সময় কবরে শয়ন করার কথা খেয়াল করুন। কেননা, সেখানে একা শয়ন করতে হবে আপন আমল ব্যতীত কেউ সঙ্গী হবে না, * শয়ন করার সময় আল্লাহ্ পাকের স্মরণ, তাহলীল (অর্থাৎ لَا اِلٰہَ اِلَّااللهُ) তাসবীহ (অর্থাৎ سُبْحٰنَ الله) এবং তাহমীদ (অর্থাৎ اَلْحَمْدُ لِلّٰه) ঘুম আসা পর্যন্ত পড়তে থাকুন যে, যেই অবস্থায় মানুষ শয়ন করে ঐ অবস্থায় উঠে এবং যে অবস্থায় মৃত্যু বরণ করবে কিয়ামতের দিন ঐ অবস্থায় উঠবে। (প্রাগুক্ত) * জাগ্রত হওয়ার পর এ দোয়া পাঠ করুন: اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِیْ اَحْیَانَا بَعْدَ مَا اَمَاتَنَا وَاِلَیْہِ النُّشُوْرُ (বুখারী শরীফ, ৪র্থ খন্ড, ১৯৬ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৬৩২৫) অর্থাৎ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর পর জীবিত করেছেন এবং তারই দিকে আমাদের প্রত্যাবর্তন করতে হবে। * যখন বালক বা বালিকার বয়স ১০ বছর হয়ে যায় তবে তাদেরকে আলাদা আলাদাভাবে ঘুমানোর ব্যবস্থা করা উচিত। (দুররে মুখতার, রদ্দুল মুহতার, ৯ম খন্ড, ৬৩০ পৃষ্ঠা)
বিভিন্ন ধরণের হাজারো সুন্নাত শিখতে মাকতাবাতুল মদীনা কর্তৃক প্রকাশিত দু’টি কিতাব “বাহারে শরীয়ত” ১৬তম খন্ড (৩১২ পৃষ্ঠা) এছাড়া ১২০ পৃষ্ঠা সম্বলিত কিতাব “সুন্নাত ও আদব”, আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ এর লিখিত পুস্তিকা “১০১ মাদানী ফুল” ও “১৬৩ মাদানী ফুল” হাদিয়ার বিনিময়ে সংগ্রহ করে পাঠ করুন।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami