Share this link via
Personality Websites!
474894
9308
সাধারণ একটি উদাহরণ বুঝে নিন; যদি আমি বলি: * আমার খালিক হলেন তিনি, যিনি এই আসমান বানিয়েছেন। আপনি বুঝে নিবেন যে, আমি কার কথা বলছি, আসমান সৃজনকারী রব তো একজনই। অতএব নাম নেওয়ার প্রয়োজন নেই * আমি বলছি: আমাকে রিযিকদানকারী হলেন তিনিই, যিনি সমস্ত জাহানকে রিযিক দান করেন, আপনি বুঝে নিবেন যে সবাইকে পালনকারী, সবার সৃষ্টিকর্তা, সবাইকে রিযিকদানকারী শুধুমাত্র আল্লাহ পাকই, অন্য কেউ নেই, অতএব নাম নেওয়া না হলেও খেয়াল একদিকেই চলে যায়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাথায় চলে আসে, যেহেতু এই শানের অধিকারী শুধুমাত্র একজনই সেহেতু নাম নেওয়ার কোনো প্রয়োজনই নেই, সুতরাং আল্লাহ পাক * হযরত আদম عَلَیْہِ السَّلَام এর শান উল্লেখ করেছেন তো তাঁর নাম নিয়েছেন * হযরত নূহ عَلَیْہِ السَّلَام এর শান বর্ণনা করেছেন তো নাম নিয়েছেন * হযরত ইব্রাহিম عَلَیْہِ السَّلَام এর শান উল্লেখ করেছেন তো নাম নিয়েছেন * হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام এর শান বর্ণনা করেছেন তো নাম নিয়েছেন * হযরত ঈসা عَلَیْہِ السَّلَام এর শান উল্লেখ করেছেন তো নাম নিয়েছেন * কিন্তু যখন স্বীয় হাবীব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর ক্ষেত্রে নামই তো নেননি বরং বলে দিয়েছেন:
وَ رَفَعَ بَعْضَهُمْ دَرَجٰتٍؕ-
(পারা ৩, সূরা বাকারা, আয়াত ২৫৩)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: এবং কেউ এমনও আছেন, যাঁকে সবার উপর মর্যাদাসমূহ উন্নীত করেছেন।
মূলত এটা বলা হচ্ছে যে, সবচেয়ে উত্তম নবী হলেন একজনই, সুতরাং তাঁর নাম না নিলেও খেয়াল শুধু একদিকেই যায়, বুঝে যায় যে অসংখ্য আজিমুশ শান মর্যাদার অধিকারী নবী হলেন হযরত মুহাম্মদ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم, তিনিই হলেন সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ।
(ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ৩০/১৫১)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami