Share this link via
Personality Websites!
474900
9308
ঈসা عَلَیْہِ السَّلَام) হলেন তিনি, যিনি তাঁর আগমনের সুসংবাদ শোনান। * আর হাবীবুল্লাহ (হযরত মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم) হলেন তিনি, যিনি সকলের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং ইমামুল আম্বিয়া (সকল নবীর ইমাম) হয়ে তাশরীফ আনেন!
তিরমিযী শরীফে একটি হাদিস বর্ণিত রয়েছে। ওলামায়ে কেরাম এই হাদিসের যে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন, সেই ব্যাখ্যার আলোকে আমি আপনাদের নিকট এই বর্ণনাটি উপস্থাপন করছি: রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم-এর সাহাবী হযরত আবু রাজীন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ প্রিয় আকা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে আরজ করলেন: اَیْنَ کَانَ اللہُ قَبْلَ اَنْ یَخلُقَ خَلْقَہٗ অর্থাৎ, "ইয়া রাসূলুল্লাহ !صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم * এখন এই জগৎ বিদ্যমান, পুরো বিশ্বজাহান উপস্থিত রয়েছে। এর প্রতিটি অণু-পরমাণুতে আল্লাহ পাকের কুদরত ও গুণাবলীর প্রকাশ দেখতে পাওয়া যায়। উঁচু উঁচু পাহাড় দেখলে আল্লাহ পাকের কুদরতের কথা মনে পড়ে। * ছোট্ট পিপীলিকা থেকে শুরু করে হাতি পর্যন্ত বিশাল বিশাল প্রাণীদের দিকে তাকালে সবাই রিযিক পাচ্ছে, এতে আল্লাহ পাকের 'রাজ্জাক' (রিজিকদাতা) সিফাতের বিকাশ স্পষ্ট দেখা যায়। * মায়ের ভালোবাসা আর বাবার স্নেহ দেখলে আল্লাহ পাকের রহমতের প্রকাশ দৃশ্যমান হয়। * সংক্ষেপে সমস্ত সৃষ্টিজগতের মাঝে কোনো না কোনোভাবে আল্লাহ পাকের সিফাতের প্রকাশ ঘটে চলেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো: * যখন এই জমিনও ছিল না * আকাশও ছিল না * কোনো সৃষ্টিও ছিল না, * মানুষ, জিন এবং ফেরেশতা কেউই ছিল না * কিছুই ছিল না, কেবল এক আল্লাহ পাকের সত্তাই বিদ্যমান ছিল; ইয়া রাসূলুল্লাহ !صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সেই সময় আল্লাহ পাকের সিফাত বা গুণাবলীর বিকাশ কোথায় ঘটছিল?
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami