Share this link via
Personality Websites!
474899
9308
জীবিত করে তুলতেন। * তিনি এমনই মহান শান ও মর্যাদার নবী ছিলেন।
যখন তিনি নবুয়ত প্রকাশ করলেন এবং এমন মহান মুজিযাসমূহ দেখাতে শুরু করলেন, তখন কেউ তাঁকে জিজ্ঞাসা করল: اَنْتَ ہُوَ الْآتِیُاَمْ نَتَرَجِّىْ آخَرَ অর্থাৎ, "আপনি এত বড় বড় মুজিযা দেখাচ্ছেন, আপনিই কি সেই আখিরুজ্জামান (শেষ নবীর সত্তা), নাকি আমরা অন্য কারো জন্য অপেক্ষা করব?
হযরত ঈসা عَلَیْہِ السَّلَام যে উত্তর দিয়েছেন, তা অত্যন্ত ঈমানদীপ্ত এক বার্তা! তিনি বললেন: না...!! আমি সেই প্রিয় নবী নই, আমি তো তাঁর আগমনের সুসংবাদ শোনাতে এসেছি। তবে আমি আল্লাহ পাকের দেয়া ক্ষমতায় * অন্ধদের আরোগ্য দান, * কুষ্ঠরোগীদের রূপ ও লাবণ্য ফিরিয়ে দেয়া * এবং মৃতদের নতুন জীবন দান এজন্যই করছি, যাতে মানুষ আমার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং এটি উপলব্ধি করে যে, যাঁর আগমনের সুসংবাদ দিতে আসা প্রচারকের শান ও মর্যাদা যদি এত মহান হয়, তবে স্বয়ং যাঁর আগমন ঘটছে, তাঁর শান ও মর্যাদার জগৎ কেমন হবে...?
(নাযমুদ দুরার, পারা: ৭, সূরা: মায়িদা, আয়াতের পাদটীকা: ১১১, ৬/৩৪৩-৩৪৪)
! سُبْحَانَ الله এটাই হলো 'হাবীব' ও 'খলীল'-এর পার্থক্য...!! * এটাই হলো 'হাবীব' ও 'কলীম'-এর পার্থক্য...!! * এটাই হলো 'হাবীবুল্লাহ' ও 'রুহুল্লাহ'-এর পার্থক্য...!! * সফিয়্যুল্লাহ (হযরত আদম عَلَیْہِ السَّلَام) হলেন তিনি, যিনি তাঁর (রাসূলুল্লাহর) পাক নাম মুবারক চুম্বন করে চোখে লাগান। * খলিলুল্লাহ (হযরত ইব্রাহিম عَلَیْہِ السَّلَام) হলেন তিনি, যিনি তাঁর আগমনের জন্য দোয়া করেন। * কলীমুল্লাহ (হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام) হলেন তিনি, যিনি তাঁর উম্মত হওয়ার ব্যাকুল আরজি ও আকুতি জানান। * রুহুল্লাহ (হযরত
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami