Share this link via
Personality Websites!
যারা আসলের সৈয়দ নয় এবং জেনে বুঝে নিজেদেরকে সৈয়দ বলে তারা মালউন (তথা অভিশপ্ত), তাদের না ফরয কবুল হবে আর না নফল। (সাআদাতে কেরাম কি আযমত, পৃ:১৬) * যদি কোন বদ মাযহাব সৈয়দ দাবি করে আর তার বদ মাযহাবী কুফর পর্যন্ত পৌঁছে যায় তবে কখনো তার তাযীম করা যাবে না। (সাআদাতে কেরাম কি আযমত, পৃ:১৭) * সৈয়দ বংশীয়দের তাযীম করা মানে আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর প্রতি তাযীম প্রদর্শন। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ২২/৪২৩) (সাআদাতে কেরাম কি আযমত, পৃ:৮) * শিক্ষকও সৈয়দদের প্রহার করা থেকে বেঁচে থাকবেন। (কুফরিয়া কালিমাত কে বারে মে সাওয়াল জাওয়াব, পৃ:৬৮৪) * সৈয়দ বংশীয়দের এমন চাকরিতে রাখা যাবে যেটাতে কোন অপমান করা হয় না অবশ্য অপমানজনজ কার্যাদিতে তাদেরকে কর্মচারী হিসেবে রাখা জায়িয নয়। (সাআদাতে কেরাম কি আযমত, পৃ:১২) * সৈয়দকে সৈয়দ হওয়ার কারণে বিয়াদবি করা কুফরি। (কুফরিয়া কালিমাত কে বারে মে সাওয়াল জাওয়াব, পৃ:৬৭৬)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
কোন গোত্র কর্তৃক অত্যাচারিত হওয়ার সময় পড়ার দোয়া
দাওয়াতে ইসলামীর সুন্নাতে ভরা ইজতিমার সিডিউল অনুযায়ী “কোন গোত্র কর্তৃক অত্যাচারিত হওয়ার সময় পড়ার দোয়া” মুখস্ত করানো হবে। যথা:
اَللّٰہُمَّ اِنَّا نَجْعَلُکَ فِی نُحُوْرِہِمْ وَنَعُوْذُ بِکَ مِنْ شُرُوْرِ ھِمْ۔
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমরা তোমাকে শত্রুদের আগে রাখি এবং তাদের অনিষ্টতা থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। (মাদানী পাঞ্জেসূরা, পৃ:২২০)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami