Share this link via
Personality Websites!
এই দাসী তাঁর খেদমতে উপস্থিত হলো তো খুবই উত্তম পদ্ধতিতে সালাম আরজ করলো। ইমামে আলী মকাম رَضِیَ اللهُ عَنْہُ সালামের উত্তর দিলেন এর সাথে সাথেই বললেন: ! اَنْتِ حُرَّۃٌ لِوَجْہِ اللہِ তুমি আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির জন্য আযাদ তথা মুক্ত।
পাশেই এক ব্যক্তি বসা ছিল, সে অবাক হয়ে বলল: হুযুর! দাসীটি আপনার খেদমতে উপস্থিত হলো আর আপনাকে শুধু একটি সালামই দিয়েছে আর আপনি তাকে মুক্ত করে দিলেন, এটার হিকমত কি? এখন ইমামে আলী মকাম رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর উত্তর শুনুন! বললেন: আল্লাহ পাক ইরশাদ করেছেন:
وَ اِذَا حُیِّیْتُمْ بِتَحِیَّةٍ فَحَیُّوْا بِاَحْسَنَ مِنْهَاۤ اَوْ رُدُّوْهَاؕ-اِنَّ اللّٰهَ كَانَ عَلٰى كُلِّ شَیْءٍ حَسِیْبًا(۸۶)
(পারা ৫, সূরা নিসা, আয়াত ৮৫)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: আর যখন তোমাদেরকে কেউ কোন বচন দ্বারা সালাম করে, তবে তোমরা তা অপেক্ষা উত্তম বচন জবাবে বলে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ প্রত্যেক কিছুর হিসাব গ্রহণকারী।
এই আয়াতে আল্লাহ পাক নির্দেশ দিয়েছেন যে, সালাম প্রদানকারী যেই শব্দাবলী দিয়ে সালাম দেয়, তোমরা সেগুলোর চেয়ে আরও সুন্দর উত্তর দাও! বিষয় হলো এটা যে ওই কন্যাটি যেই সুন্দর পদ্ধতিতে সালাম দিয়েছে, আমার উপর হক ছিল যে তার চেয়ে আরও উত্তম জবাব দেওয়া কিন্তু এরচেয়ে উত্তম জবাব শব্দাবলীর মাধ্যমে তো দেওয়া সম্ভব না, সুতরাং আমি তাকে আযাদ করে দিলাম। (কিতাবুশ শুয়াব, পৃ:১০০)
! سُبْحَانَ الله কী শান ইমাম হুসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর...!! কুরআনে কারীমের উপর দৃষ্টি দেখুন কী চমৎকার...!! এটিও তাঁর একটি ইলমী যোগ্যতা যে, তিনি কথায় কথায় কুরআনী আয়াতে পাঠ করতেন, কুরআনী আয়াতের মাধ্যমে উপদেশ দিতেন, এখন আমরা একটু চিন্তা করি যে, আমাদের কয়টি আয়াত মুখস্ত রয়েছে? দৈনন্দিন জীবনে কোথায় কখন কি পড়তে হবে এরকম
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami