Share this link via
Personality Websites!
উচিত যে, নিজের কন্যাদের স্বামীর সম্মান করতে শেখানো, তাদের উপদেশ দিন, নিজের স্বামীর গুরুত্ব ও ফযীলত সম্পর্কে বলুন। ইসলামে স্বামীর অনেক হক রাখা হয়েছে! রাসূলে হাশেমী, মাক্কী-মাদানী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন:
* নারীর উপর সকল মানুষের চেয়ে বেশি হক তার স্বামীর, আর পুরুষের উপর তার মায়ের। (মুসতাদরাক, কিতাবুল বিররে ওয়াস সিলাহ, ৫/২৪৪, হাদীস: ৭৪১৮) * আমি যদি কাউকে নির্দেশ দিতাম যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সিজদা করতে, তবে নির্দেশ দিতাম নারী যেন তার স্বামীকে সিজদা করে। শপথ ওই সত্তার যার কবযায় মুহাম্মাদ (صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم) এর প্রাণ! নারী তার পালনকর্তার হক আদায় করতে পারবে না যতক্ষণ না সে স্বামীর সমস্ত হক আদায় করে। (ইবনে মাজাহ, কিতাবুন নিকাহ, হাদীস: ১৮৫৩) * নারী ঈমানের স্বাদ পাবে না, যতক্ষণ না সে স্বামীর হক আদায় করে। (মুসতাদরাক, কিতাবুল বিররে ওয়াস সিলাহ, হাদীস: ৭৪০৫)
অনুমান করুন! এগুলো স্বামীর হক, যা আমাদের আক্বা ও মওলা, মাক্কী মাদানী মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم বর্ণনা করেছেন। এই হকগুলো নিজেদের বিবাহিতা মেয়েদের এবং যাদের বিবাহ সন্নিকটে, তাদের শেখান। আফসোস! * বর্তমানে সমাজে বিবাহ বিচ্ছেদ বেড়ে যাচ্ছে * পশ্চিমা সংস্কৃতিকে আমাদের সমাজ দ্রুত আপন করে নেয়া হচ্ছে * রীতিমতো সুপরিকল্পিতভাবে মহিলাদের তাদের স্বামীর অবাধ্য বানানো হচ্ছে এবং ফলস্বরূপ পারিবারিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, আমাদের এই বিষয়টি উপলব্ধি করা উচিত, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়! * বর্তমানে মেয়ে যদি নিজের বাপের বাড়িতে এসে তার শ্বশুরবাড়ির লোক এবং স্বামীর নিন্দা করে, তাদের গীবত করে, তবে তাকে বাধা দেওয়া হয় না বরং উল্টো তাকে আরও উসকে দেওয়া হয়। এটি অত্যন্ত দূর্ভাগ্যজনক
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami