Share this link via
Personality Websites!
অসন্তুষ্ট করে, তাই তুমি আমাকে এর মধ্যে কোনো নিদর্শন দেখাও। তখনই তার চেহারা কুচকুচে কালো হয়ে গেল। (আল ইসতিয়াব, পৃষ্ঠা: ১৭৯৭। উসমান বিন আফফান আল উমুবী, ৩/১৬৪)
!اَلله !اَلله প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! চিন্তা করুন! মুসলমানদের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমানে গণী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের দরবারে কত উচ্চ মর্যাদার অধিকারী! তাঁর অবমাননা আল্লাহ পাক একেবারেই পছন্দ করেন না। এটি জরুরী নয় যে, হযরত উসমানের অবমাননাকারীর দুনিয়াবী শাস্তি সবার সামনে প্রকাশ পাবেই, তবে এটি নিশ্চিত যে, যেই ব্যক্তি হযরত উসমানে গণী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বা সাহাবায়ে কিরামদের عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان অবমাননাকারী এবং তাওবা ছাড়া এই অবস্থায় মারা যায়, সে আখিরাতে কঠোর আযাবের হকদার হয়।
সাহাবীদের সমালোচনা করার পরিণাম
হযরত হাসান رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ থেকে বর্ণিত; রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি দুনিয়া থেকে এমন অবস্থায় গেল যে, সে পূর্বসূরীদের (যেমন সাহাবায়ে কিরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان এবং তাবেয়ীনে কিরামদের رَحِمَہُمُ اللهُ عَلَیْہِمْ اَجْمَعِیْن) মন্দ বলত, তবে আল্লাহ পাক তার উপর এমন একটি প্রাণী চাপিয়ে দিবেন, যা তার মাংস আঁচড়ে আঁচড়ে খাবে এবং সে কিয়ামত পর্যন্ত এর কষ্ট অনুভব করবে।
(মাওসুয়াতি ইবনে আবি দুনিয়া, কিতাবুল কুবুর, ৬/৮৪, হাদীস: ১৩০)
!اَلْاَمَانُ وَ الْحَفِيْظ প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! مَعَاذَ الله সাহাবায়ে কিরামদের عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان মন্দ বলা কত বড় কঠিন গুনাহ যে, আল্লাহ পাক এই গুনাহের কারণে কিয়ামত পর্যন্ত আযাবে লিপ্ত করে দিবেন। মনে রাখবেন! সাহাবায়ে কিরামদের عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان মন্দ বলা খুবই বড় গুনাহ, নিজের কবরকে জাহান্নামের গর্ত বানানো এবং জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো কাজ। তাঁরা সেই মহান মনিষী
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami