Share this link via
Personality Websites!
ফিরিয়ে দিতে হবে, এখন লোক তাকেও চেহারা দেখাচ্ছে না। আল্লাহ পাক আমাদের অবস্থার উপর দয়া করুক। ওয়াদা করে সেটার খেলাফ করার অনেক উদহারণ রয়েছে, এখন ঈদুল আযহার সময়ই দেখবেন! কসাই সাহেব ওয়াদা করে কিন্তু সময়মতো আসেই না, যারা কুরবানী দিবে, তারা অপেক্ষায় বসে থাকে। এটা অনেক খারাপ কাজ।
সায়্যিদি আলা হযরত, ইমাম আহমদ রযা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: حَرَامٌ الْوَعْدِ خُلْفُ অর্থাৎ মিথ্যা ওয়াদা করা হারাম। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ২৫/৬৯) হাদিসে পাকে রয়েছে: (১) যেই মুসলমান ওয়াদা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে তার উপর আল্লাহ ও ফেরেশতা এবং সমস্ত মানুষের লানত এবং তার না কোন ফরয কবুল হবে আর না নফল। (বুখারী, ৮১৫ পৃ:, হাদিস: ৩১৭৯) অপর এক হাদিসে পাকে বলা হয়েছে: লোক ততক্ষণ পর্যন্ত ধ্বংস হবে না যতক্ষণ সে নিজের লোকের সাথে ওয়াদা ভঙ্গ করবে না। (আবু দাউদ, ৬৮২ পৃ:, হাদিস: ৪৩৪৮)
!اَللهُ اَكْبَرُ প্রতীয়মান হলো; ওয়াদা ভঙ্গ করা ধ্বংস হওয়ার কারণ সমূহের মধ্যে একটি কারণ। আল্লাহ পাক আমাদেরকে এই গুনাহ থেকে হেফাযত করুক।
ওয়াদা ভঙ্গ কাকে বলে? এটাও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, আমাদের সমাজের লোকেরা এটি জানে না। আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন: ওয়াদা ভঙ্গ মানে এটা নয় যে, মানুষ ওয়াদা করবে আর তার নিয়ত হলো সেটা পূরণও করবে বরং ওয়াদা খেলাপি হলো বান্দা কারো সাথে ওয়াদা করল আর তার নিয়ত হলো সেটা পূরণ করবে না। (জামেউল আখলাকুর রাবী, ২/৬০, হাদিস: ১১৭৯) অপর একটি হাদিসে পাকের রয়েছে: যখন কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাথে ওয়াদা করে এবং তার নিয়ত হলো পূরণ করার
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami