Share this link via
Personality Websites!
রমযানের পরও মসজিদে নিয়ে আসতে থাকে তবে মসজিদের সৌন্দর্যতা আরও অনেকগুণ বেড়ে যাবে কিন্তু আফসোস! আমরা আমাদের পরিবারের লোকদেরকে নেকীর দাওয়াত দিই না বরং এখন ঘটনা এরচেয়েও সামনে অগ্রসর করে নিয়েছে, অনেক সময় পরিবারের কেউ যদি নেককার হতে চাই তবে পরিবারের সদস্যরা তাকে নিয়ে বিদ্রুপ করে, খারাপ খারাপ কথা বলে এবং নেকীর রাস্তায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কিছুলোক এমন রয়েছে যারা মুবাল্লিগের বয়ান শুনে, কারো নেকীর দাওয়াতের ফল স্বরুপ, কখনো দাওয়াতে ইসলামী দ্বীনি ইজতিমায় এসে নেকীর মানসিকতা বানিয়ে নেয়, দাঁড়ি মুবারক সাজানোর, পাগড়ী শরীফ পরিধান করার, ফ্যাশন করা থেকে বেঁচে থেকে সুন্নাতের ভরা জীবন অতিবাহিত করার মানসিকতা করে নেয় কিন্তু পরিবারের লোকেরা তাকে নেকীর রাস্তা থেকে দূরে সরানোর জন্য যুদ্ধ শুরু করে দেয়। ! اَلْاَمَان وَالْحَفِیْظ
আল্লাহ পাক আমাদের অবস্থার উপর দয়া করুক। প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! স্বয়ং নিজেকে এবং পরিবারের লোকদেরকে নেকীর রাস্তার মুসাফির বানিয়ে, তাদেরকে নেকীর দাওয়াত দিয়ে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর মাধ্যম যোগাড় করা আমাদের সকলেরই দায়িত্ব। আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআনে বলেন:
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا قُوْۤا اَنْفُسَكُمْ وَ اَهْلِیْكُمْ نَارًا
(পারা ২৮, সূরা তাহরীম, আয়াত ৬)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: হে ঈমানদারগণ! নিজেদেরকে ও নিজেদের পরিবারবর্গকে ওই আগুন থেকে রক্ষা করো।
এটা থেকে বোঝা গেল, যেখানে মুসলমানের উপর নিজের সংশোধন করা জরুরী তেমনিভাবে পরিবারের লোকদেরও ইসলামী শিক্ষা ও মূল্যবোধ জানিয়ে দেওয়া তার উপর আবশ্যক, সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের উচিত, সে তার সন্তান-সন্তুতি, স্ত্রী ও
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami