Share this link via
Personality Websites!
কিন্তু সে পূরণ করতে পারল না, ওয়াদা অনুযায়ী করতে না পারে তো এটার জন্য কোন গুনাহ হবে না। (আবু দাউদ, ৭৮১ পৃ:, হাদিস: ৪৯৯৫)
অর্থাৎ ওয়াদা ভঙ্গ করার সম্পর্ক হলো নিয়তের সাথে, যেমন কারো সাথে ওয়াদা করল যে, অমুক সময় সাক্ষাত করব। অন্তরে নিয়তও আছে যে সাক্ষাত করব। এখন কোন কারণে যদি সাক্ষাত করতে না পারে তবে এটা ওয়াদা ভঙ্গ নয় বরং অনেক সময় লোক এড়িয়ে চলার জন্য বলে: অমুক সময় দেখা করব কিন্তু অন্তরে দেখা করার নিয়তই থাকে না। এটা হলো ওয়াদা ভঙ্গ।
ওয়াদা পালনের দৃষ্টান্তহীন নমুনা
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আমাদের সমাজের লোকেরা তো সামান্য বিষয়েও মিথ্যা ওয়াদা করে থাকে, আল্লাহ পাকের নবী হযরত ইসমাঈল عَلَیْہِ السَّلَام এর জীবনী দেখুন! প্রসিদ্ধ ও পরিচিত ঘটনা, তাঁর সম্মানিত পিতা হযরত ইব্রাহীম عَلَیْہِ السَّلَام বললেন: বৎস! আমি স্বপ্ন দেখেছি যে, তোমাকে (আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির জন্য) কুরবান করছি। তিনি ওয়াদা করতে গিয়ে বললেন:
قَالَ یٰۤاَبَتِ افْعَلْ مَا تُؤْمَرُ٘-سَتَجِدُنِیْۤ اِنْ شَآءَ اللّٰهُ مِنَ الصّٰبِرِیْنَ(۱۰۲)
(পারা ২৩, সূরা সাফফাত, আয়াত ১০২)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: হে আমার পিতা! করুন যা আপনি আদিষ্ট হচ্ছেন, খোদা ইচ্ছা করলে অবিলম্বে আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন।
দেখুন! এটা কত কঠিন বিষয় কিন্তু হযরত ইসমাঈল عَلَیْہِ السَّلَام ওয়াদা পূরণে মযবুত ছিলেন, তিনি স্বয়ং হযরত ইব্রাহীম عَلَیْہِ السَّلَام কে বললেন: আব্বাজান! আমার হাত বেঁধে ফেলুন! ছুরী ধারালো করে নিন! আপনার চোখের পট্রী বেঁধে নিন! যেন কোন আবেগ, সন্তানের প্রতি পিতার ভালোবাসা, কোন কিছুই এই ওয়াদা পূরণে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami