Share this link via
Personality Websites!
দিকে মুখ করে নামায আদায় করত, এরপর পরবর্তীতে বায়তুল্লাহ শরীফকে কিবলা করা হলো। এর প্রেক্ষাপট কি ছিল আসুন! শুনে নিই! ২য় পারা সূরা আল বাকারার ১৪৪ নং আয়াতে কাবা শরীফের রব মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন :
قَدْ نَرٰى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِی السَّمَآءِۚ-
(পারা ২, সূরা বাকারা, আয়াত ১৪৪)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: আমি লক্ষ্য করছি বারবার আপনার আসমানের দিকে তাকানো।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! যখন হুযুর পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم মদীনা শরীফ তাশরীফ নিলেন তখন তাঁকে বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে নামায পড়ার হুকুম দেওয়া হলো, এবং নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আল্লাহ পাকের হুকুম পালন করতে গিয়ে সেদিকেই মুখ করে নামায আদায় করা শুরু করে দিলেন। অবশ্য হুযুর পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর অন্তর মুবারকের ইচ্ছা এটাই ছিল যে, খানায়ে কাবাকে যেন মুসলমানদের কিবলা বানিয়ে দেওয়া হয়, এর কারণ এটা ছিল না যে, বায়তুল মুকাদ্দাসকে কিবলা বানিয়ে দেওয়াটা হুযুর পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর অপছন্দ ছিল, বরং এর একটি কারণ এটাও ছিল যে, খানায়ে কাবা হযরত ইব্রাহীম عَلَیْہِ السَّلَام এবং তিনি ছাড়াও আরো অনেক আম্বিয়ায়ে কেরাম عَلَیْہِمُ الصَّلٰوۃُوَ السَّلَام গণের কিবলা ছিল, একটি কারণ এটাও ছিল যে, বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামায পড়ার কারণে কিছু অমুসলিম অহংকার ও গৌবর করতে লাগল এবং এইভাবে বলতে লাগল যে, মুসলমানরা আমাদের ধর্মের বিরোধিতা করে কিন্তু নামায আমাদের কিবলার দিকে মুখ করে আদায় করে। অতঃপর একদিন নামায অবস্থায় হুযুর পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এই আশায় বারংবার আসমানের দিকে দেখছিলেন, যেন কিবলা পরিবর্তনের হুকুম আসে, এরই প্রেক্ষিতে নামায
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami