Share this link via
Personality Websites!
এর খেদমতে উপস্থিত হতাম, আমি সমস্যার কথা খুলে বললাম, বললেন’ বৎস! দ্রুত চলে যাও! !اِنْ شَآءَ الله (তুমি) আবারও আসবে এবং এখানেই থাকবে, মা-বাবা (parents) এর হুকুম মানা জরুরী।
জনাব মাসউদ আহমদ সাহেব বলেন: আমি পীর সাহেবের কথা মেনে নিলাম এবং পাকিস্তান চলে গেলাম। ! اَلْحَمْدُ لِلّٰه পীর ও মুর্শিদ (সায়্যিদি কুতুবে মদীনা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ) এর দোয়াই আমার আরও ২বার হজ্ব করার সৌভাগ্য নসীব হলো, অবশেষে মদীনা পাকেই স্থায়ীভাবে থাকা নসীব হলো। (সৈয়দ যিয়া উদ্দীন আহমদ কাদেরী, ১/৭৬৬)
! سُبْحَانَ الله কেমন শান সায়্যিদি কুতুবে মদীনা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর...!! ! اَلْحَمْدُ لِلّٰه আল্লাহ পাকের যারা নেককার বান্দা, আউলিয়ায়ে কেরাম, তাঁদের কথা রদ হয় না, তাঁরা যেই কথাই বলে দেয়, আল্লাহ পাক তাঁর অনুগ্রহে সেই কথাটি পূরণ করে দেন। বুখারী শরীফে এক লম্বা হাদিসে পাক রয়েছে, এবং সেটাও হাদিসে কুদসী অর্থাৎ আল্লাহ পাকের পবিত্র বাণী’ রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم বলেছেন: مَنْ عَادَی لِیْ وَلِیًّا فَقَدْ اٰذَنْتُہٗ بِالْحَرْب যে আমার ওলীদের সাথে শত্রুতা পোষণ করে আমি তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম।
(বুখারী, ১৫৯৭ পৃ:, হাদিস: ৬৫০২)
এটা হলো ওলীদের শান, তাঁদের সাথে শত্রুতা, আল্লাহ পাকের সাথে প্রকাশ্যে যুদ্ধ করার মত। এই হাদিসে পাকের শেষে রয়েছে: وَ اِنْ سَاَلَنِیْ لَاُعْطِیَنَّہٗ আর যদি তাঁরা (ওলী আল্লাহরা) আমার কাছে চাই তবে আমি (আল্লাহ) অবশ্যই সেটা তাঁদেরকে দান করি।
(বুখারী, পৃ: ১৫৯৭ , হাদিস: ৬৫০২)
!سُبْحَانَ الله এটা হলো আল্লাহ পাকের দরবারে ওলীদের অবস্থান, তাঁদের সম্মান যে তাঁরা যেই ফরিয়াদই করে, যা কিছু আল্লাহ পাকের কাছে চান, দয়ালু আল্লাহ পাক শুধুমাত্র তাঁর
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami