Share this link via
Personality Websites!
পাকেই থাকতে চাই। কিছুদিন পর আম্মার মধ্যে ধৈর্য চলে আসবে। সায়্যিদি কুতুবে মদীনা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বললেন: বৎস! আম্মার কথাটি মেনে নাও! তাতে তোমার জন্য বরকত রয়েছে। আমি আবারও আরজ করলাম: আপনি দয়া করুন! আমি মদীনা ছেড়ে যেতে চাই না। এখন কুতুবে মদীনা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ হালকা রাগান্বিত হয়ে বললেন: না...!! চলে যাও! মায়ের হুকুম মান্য করো! তুমি !اِنْ شَآءَ الله একদিন মদীনা তায়্যিবায় আসবে এবং এখানেই থাকবে।
আরিফ সাহেব বলেন: মদীনা ছেড়ে যেতে মন তো চাইতেছিল না, তারপরও আম্মাজানের নির্দেশ পালন ও পীর সাহেবের হুকুমে ইচ্ছা না থাকা সত্বেও পাকিস্তান চলে আসলাম। ! اَلْحَمْدُ لِلّٰه কিছুদিনের মধ্যেই আমার উপর দয়া হলো, পীর সাহেবের দোয়া কাজে আসল, মাহবুবে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم দয়া করলেন এবং আমার জন্য মদীনা পাকে স্থায়ীভাবে থাকার মাধ্যমও হয়ে গেল। (সৈয়দ যিয়া উদ্দীন কাদেরী, ১/৭৫৬, ৭৫৭)
জনাব মাসউদ আহমদ সাহেবের জন্য সুসংবাদ
জনাবে মাসউদ আহমদ কাদেরী যিয়ায়ী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ-ও সায়্যিদি কুতুবে মদীনা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর মুরিদ ছিলেন, তাঁর সাথেও প্রায় এরকম ঘটনা ঘটত, (তিনি) বলেন: আমি দ্বিতীয়বার হজ্বের জন্য উপস্থিত হলাম, হজ্বের পর মদীনা পাকে উপস্থিত হলাম, আমার ইচ্ছা ছিল যে, এখন থেকে ব্যস স্থায়ীভাবে মদীনা পাকে থেকে যাব। অতএব ঘর থেকে আসার সময় মায়ের কাছ থেকে অনুমতিও নিয়ে নিয়েছিলাম, আমি মদীনা পাকে পৌঁছে কাজ-কামও খুঁজে নিলাম এবং সেখানেই থাকতে রইলাম। কিছুদিন পর আমার সম্মানিতা আম্মার চিঠি পেলাম, তিনি নির্দেশ দিলেন যে পুত্র! পাকিস্তান ফিরে আসো! আমার খুব চিন্তা হয়, প্রতিদিন এশার নামাযের পর পীর সাহেব সায়্যিদি কুতুবে মদীনা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami