Share this link via
Personality Websites!
বর্তমান সমাজের জন্য এটি অনেক জরুরী, মানুষকে খুব ভালোভাবে স্বাগত জানাতেও জানে না। এটা আমাদের শিখা উচিত, যখনই কেউ আমাদের কাছে আসবে * উত্তম পদ্ধতিতে * মুচকি হেসে * চেহারায় খুশির প্রভাব দেখিয়ে * উত্তম শব্দাবলীর মাধ্যমে * আগে অগ্রসর হয়ে স্বাগত জানান, এটাও একটি নেকী।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! হযরত সায়্যিদি কুতুবে মদীনা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর প্রতি পাগলের মত ইশক ছিল বরং এটা বলাও একদম সঠিক হবে যে, তিনি ফানা ফির রাসূলের উচ্চ মর্যাদায় আশীন ছিলেন * যিকরে মুস্তফাই ছিল তাঁর দিন ও রাতের ব্যস্ততা * অধিকাংশ সময় তাঁর সাথে সাক্ষাতের জন্য আসা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসা করতেন: আপনারা কি নাঁত শরীফ পড়েন? যদি তারা জি বলত তবে তাদের কাছ থেকে নাঁত শরীফ শুনতেন এবং খুব স্বাদ অনূভব করতেন * অনেকবার নাঁতে পাক শুনতে শুনতে চক্ষু দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হয়ে যেত * সারা বছর প্রতিদিন রাতে তাঁর আস্তানায় মাহফিলে মিলাদ হতো, যেটাতে * মাদানী * তুর্কী * পাকিস্তানী * সিরিয়া * মিসরী * আফ্রিকি * সুদানী * এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আসা যিয়ারতকারীরা অংশগ্রহণ করতেন।
(সৈয়দ কুতুবে মদীনা, পৃ: ১১)
তাঁর কাছ থেকে ফিরে এসে কোথায় যাবেন?
অনেকবার এমনও হয়েছে যে, যখন কোন যিয়ারতকারী মদীনা শরীফ ছেড়ে ঘরে ফিরে যায় তো আরজ করে: আমি বিদায়ী সালাম বলে এসেছি (অর্থাৎ আমি রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর বিদায়ী সালাম পেশ করে এসেছি)। সায়্যিদি কুতুবে মদীনা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami