Share this link via
Personality Websites!
কোন মাদ্রাসাকে বন্টন করে দেবো, একটি জিনিস অবশিষ্ট থাকবে সেটা হলো * আমাদের অন্তরের একনিষ্ঠতা * আমাদের হৃদয়ের খোদাভীরুতা * আমাদের হৃদয়ে বিদ্যমান আনুগত্যের স্পৃহা * আমাদের হৃদয়ে বিদ্যমান রবের প্রতি ভালোবাসা...!! যদি এই পবিত্র চিন্তাধারা থাকে তবে ! اِنْ شَآءَ الله কুরবানী কবুল, যদি এটা না থাকে * একনিষ্ঠতার স্থলে লোক দেখানো * তাকওয়ার জায়গায় মাংস খাওয়া উদ্দেশ্য হয় * আল্লাহ পাকের প্রতি ভালোবাসার স্থলে নিজের দানশীলতা প্রদর্শনের নিয়ত থাকে, তবে বিষয় খুব কঠিন হতে পারে। এজন্য আজ আমরা যখন কুরবানী করব, তখন আমাদের অন্তরের অবস্থা সঠিক রাখতে হতে!
কুরআনুল কারীম ও হাদিসে মুবারাকার মধ্যে আমাদের এমন অবস্থার কথা বলা হয়েছে যে, কুরবানী করার সময় এই অবস্থাদি রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
আল্লাহ পাকের প্রিয় নবী صَلَّی الله عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم বলেছেন: কুরবানীর পশু রক্ত জমিনে পড়ার আগে আল্লাহ পাকের দরবারে কবুল হয়ে যায়, فَطِیْبُوْا بِہَا نَفْسًا ব্যস খুশিমনে কুরবানী করো! (ইবনে মাজাহ, পৃ:৫১০, হাদিস: ৩১২৬)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! কুরবানী করার সময় আমাদেরকে নিজেদের অন্তরের যেই অবস্থা রাখতে হবে, তার মধ্যে প্রথম হলো খুশিমন। অনেক সময় অবস্থা এমন হয় যে, কুরবানী করার মন ছিল না, যেহেতু নিসাবের মালিক ছিল, কুরবানী ওয়াজিব হয়েছিল, সুতরাং করতে হয়েছে...!!
বর্তমান সময়ে এটাও একটি গণিমত যে, চলুন আল্লাহ পাকের হুকুম তো মেনে নিয়েছে, নিসাবের মালিকও হয়েছিলে, কুরবানী ওয়াজিব হয়ে গিয়েছিল তো ! اَلْحَمْدُ لِلّٰه ওয়াজিব আদায় তো
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami