Share this link via
Personality Websites!
রাখা, সাজানো দ্বারা মিলত তবে গরু-ছাগলরাও পেয়ে যেত (উল সংগ্রহের জন্য অধিকাংশই সেগুলোর পশম কেটে বানানো হয়), হে বাহু! রবের নৈকট্য তো সে-ই পায়, যার নিয়ত শুদ্ধ থাকে।
ওলামায়ে কেরাম বলেন: নেক আমল ৩টি জিনিস দ্বারা হয়ে থাকে: (১): বান্দা এটা মনে করবে যে, এই আমলের তাওফিক আল্লাহ পাকেই দান করেছেন, এর দ্বারা আত্মগৌরবের কাট হয়ে যায় (চিকিৎসা হয়ে যায়) (২): বান্দা যেন তার আমল দ্বারা শুধুমাত্র আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি কামনা করে, এর দ্বারা বান্দা রিয়াকারী, লোক দেখানো এবং নিজে বাহ বাহ পাওয়ার বিপদ থেকে বেঁচে যায়। (৩): বান্দার তার আমলের সাওয়াব মৃত্যুর পরই পাওয়া দরকার, এটার বরকতে মাখলুকের পক্ষ থেকে কোন লোভ অবশিষ্ট থাকে না। (ইলমুল কুলুব, পৃ:১৫১)
মোটকথা! প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! যেহেতু আমরা কুরবানী করছি তো আমাদের হৃদয়ে যেন ইখলাস থাকে, আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির দিকে দৃষ্টি থাকে, এই মনোভাবের সাথে কুরবানী করি তো ! اِنْ شَآءَ الله দুনিয়াতেও এটার বরকত নসীব হবে এবং আখিরাতেও সফলতা মিলে যাবে।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আরও একটি খুব সুন্দর মনোভাব যা কুরবানীর সময় আমাদের হৃদয়ে থাকা দরকার, তা হলো করুণা। ইমাম শা’রানী رَحْمَۃُ الله عَلَیْہِ বলেন: আদব হলো এটা যে, যখন আমরা পশুকে জবাই করব, তখনও যেন আমাদের হৃদয়ে কোমলতা থাকে। (লাওয়াকিহুল আনওয়ারুল কুদসিয়া, ১/৫৭৩)
অর্থাৎ আল্লাহ পাকের হুকুমের উপর আমল করার নিমিত্তে আমরা পশু যবেহ করছি তবে এটার পদ্ধতিটা এমন হবে যে,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami