Share this link via
Personality Websites!
শুয়ে গিয়েছে, দ্বিতীয়জন (তোমার সন্তুষ্টির জন্য) যবেহ করার জন্য প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। অতঃপর আল্লাহ পাক হযরত ঈসমাইল عَلَیْہِ السَّلَام এর পরিবর্তে জান্নাতী দুম্বা পাঠিয়ে দিলেন।
(আর রিক্বাতু ওয়াল বুকায়ি লি ইবনে ক্বিদামা, পৃ:৮৫)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এই আজিমুশ শান কুরবানীর সময় এই ২জন মহান নবীর প্রকৃত হৃদয়ের অবস্থা কী ছিল, এটা তো না আমরা জানতে পারব, না ততটুকু পর্যন্ত পৌঁছতে পারব, অবশ্য! এই রেওয়ায়েতটি ওই অবস্থাদির কিছুটা ঝলক দেখাচ্ছে মাত্র। হযরত ইব্রাহীম عَلَیْہِ السَّلَام যখন কুরবানী করছিলেন আর হযরত ঈসমাঈল عَلَیْہِ السَّلَام যখন কুরবানী হওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন, তাঁরা উভয়ের চিন্তাধারা পৃথিবীর কোন কিছু উদ্দেশ্যে ছিল না, তাঁদের হৃদয় ব্যাকুল ছিল শুধুমাত্র একটি জিনিসের জন্য, সেটি হলো আল্লাহ পাক আমাদের উপর সন্তুষ্ট হয়ে যাক। প্রতীয়মান হলো, কুরবানীর আসল যেই উদ্দেশ্য, সেটা হলো আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি। অতএব যখন আমরা কুরবানী করব তখন * হৃদয়ে একনিষ্ঠতার স্পৃহা থাকা উচিত * লিল্লাহিয়্যত তথা আল্লাহর জন্য * এটাকে মূল উদ্দেশ্য করা * না নিজের প্রশংসা কামনা করা * আর না বাহ বাহ পাওয়ার আশা * আর না মানুষকে দেখানোর নিয়ত করব * একদিকে পশুর গলায় ছুরী চলছে, অন্যদিকে আমরা যেন আল্লাহ পাককে রাজি করার জন্য ব্যাকুল হয়ে যায় * মনে মনে দোয়া করি: হে আল্লাহ পাক! আমার সামর্থে যা ছিল, আমি করেছি, হে আল্লাহ পাক! তোমার খলিলের সদকায় আমার উপর রাজি হয়ে যাও।
مولیٰ مجھ کو نیک بنا دے اپنی اُلفت دِل میں بَسا دے
اپنی رِضا کا دیدے مژدہ یااللہ! میری جَھولی بَھر دے
(ওয়াসায়িল বখশীশ, ১২১-১২৩)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami