Share this link via
Personality Websites!
বললেন: আমার একটাই ছেলে ছিল তাকে আমি আমার আল্লাহর নামে ওয়াকফ করেছি, বাবা! যাও! আল্লাহ পাকের ইবাদত করো! দ্বীনের খেদমত করো! আজকের পর থেকে কিয়ামতের দিন দেখা হবে। (সাবআ সানাবিল, পৃ:১০৬)
دو عالَم سے کرتی ہے بیگانہ دِل کو عجب چیز ہے لذّتِ آشنائی
(কলিয়াতে ইকবাল, পৃ: ৪৩২ )
দো আলম সে করতি হ্যা বেগানা দিল কো
আজব চিজ হ্যা লযযাতে আশনায়ি
ব্যাখ্যা: ভালোবাসাও কেমন আশ্চর্যকর বস্তু...!! হৃদয় থেকে উভয় জাহানের চাহিদা মিটে যায়।
যাইহোক! প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! যেহেতু আমরা কুরবানী করছি তো হৃদয়ে একটি খুশির অবস্থা হওয়া চাই, ইছার ও আত্মত্যাগের স্পৃহা হৃদয়ে বিদ্যমান থাকা দরকার, এই স্পৃহাই হলো যা ! اِنْ شَآءَ الله আল্লাহ পাকের দরবারে কবুল হয়ে যাবে।
محبت میں اپنی گُما یاالٰہی! نہ پاؤں میں اپنا پتا یاالٰہی!
مِرا ہر عمل بس ترے واسطے ہو کر اِخلاص ایسا عطا یاالٰہی!
عبادت میں گزرے مری زندگانی کرم ہو کرم یاخدا! یاالٰہی!
(ওয়াসায়িলে বখশীশ, পৃ:১০৫)
মুহাব্বত ম্যা আপনি গুমা ইয়া ইলাহী!
না পাউঁ ম্যা আপনা পাতা ইয়া ইলাহী!
মেরা হার আমল ব্যস তেরে ওয়াস্তে হো
কর ইখলাস আয়সা আতা ইয়া ইলাহী!
ইবাদত ম্যা গুযারে মেরি যিন্দেগানী
করম হো করম ইয়া খোদা! ইয়া ইলাহী!
(২): দ্বিতীয় অবস্থা: একনিষ্ঠতা
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! কুরবানীর সময় দ্বিতীয় অবস্থা হলো যা আমাদের হৃদয়ে হওয়া উচিত, সেটা হলো ইখলাস তথা একনিষ্ঠতা । প্রিয় নবী صَلَّی الله عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: مَنْ ضَحّٰی طِیْبَۃً نَفْسَہٗ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami