Share this link via
Personality Websites!
করুক যে, আপনি আমাকে ছোটবেলায় লালন-পালন করেছেন। তাঁর আম্মাজান উত্তরে বলতেন: আল্লাহ পাক তোমার উপরও দয়া করুক যে, যেমনিভাবে তুমিও বার্ধক্যে আমার খেয়াল রাখছো। (আদাবুল মুফরদ, ১৬ পৃ:, হাদিস: ১২)
! سُبْحَانَ الله কেমন চরিত্র...!! কল্পনা করুন! যখন হযরত আবু হুরায়রা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এইভাবে তাঁর প্রিয় আম্মার কৃতজ্ঞতা আদায় করতেন তখন তাঁর আম্মাজানেরও কত প্রশান্তি অনূভব করতেন...!! নিশ্চয় আমাদের মা-বাবার আমাদের উপর অনেক অনুগ্রহ রয়েছে, এত অনুগ্রহ রয়েছে যে, আমরা সেটার বিনিময় শোধ করতেই পারব না। একবার আলা হযরত رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ কে জিজ্ঞাসা করা হলো: মা-বাবার কয়টি হক রয়েছে (অর্থাৎ প্রশ্নকারীর এই প্রশ্ন করার ছিল যে, হকসমূহের সংখ্যা বলে দিন যাতে আমরা সেগুলো গণনা করে পরিপূর্ণভাবে আদায় করতে পারি)। সায়্যিদি আলা হযরত رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এটার যেই উত্তর দিয়েছেন, অসাধারণ ছিল, তিনি একটি বাক্যতেই কথা শেষ করে দিলেন, বললেন: মা-বাবার হক এত বেশি যে যদি তাঁরা ইন্তেকালও করে নেয় আর সন্তানরা তাদেরকে পুনরায় জীবিত করতে পারলে যেন করে। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ২৪/৩৭০)
বলার উদ্দেশ্য ছিল এটা যে, যেমনিভাবে মুর্দাকে জীবিত করা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, ঠিক তেমনি মা-বাবার হকসমূহ আদায় করা, সেগুলো গণনা করা, এটাও সম্ভব নয়। এখন যদি আমরা তাঁদের অনুগ্রহসমূহ ও এতগুলো হকের দিকে খেয়াল রেখে, তাঁদের দিকে ভালোবাসার নজরে তাকায়, তাঁদের সাথে আন্তরিকতার সাথে কথা বলি তবে তাতে আমাদের ক্ষতি কিসের? ক্ষতিও তো নয় বরং আল্লাহ পাক তাঁর অনুগ্রহে আমাদেরকে একটি মকবুল হজ্বের সাওয়াব দান করেন। এজন্য অভ্যাস বানিয়ে নিন! বেশি নয় কমপক্ষে দিনে একবার হলেও
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami