Share this link via
Personality Websites!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! হজ্বের সাওয়াব প্রদানকারী আমলের মধ্যে একটি নেক আমল হলো জামাআত সহকারে নামায পড়া। হযরত আবু উমামা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ হতে বর্ণিত, রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم বললেন: যে (ব্যক্তি) ঘর থেকে পবিত্র হয়ে জামাআত সহকারে নামায পড়তে যায়, সেটার সাওয়াব ইহরাম পরিহিত হাজ্বী সাহেবের মত এবং যে (ব্যক্তি) চাশতের নামাযের জন্য মসজিদের দিকে যায় তার সাওয়াব ওমরা আদায়কারীর সমপরিমাণ। (আবু দাউদ, পৃ:১০২, হাদিস: ৫৫৮)
এক বর্ণনায় রয়েছে: ইশার নামায জামাআত সহকারে পড়া এক হজ্বের সমান সাওয়াব, এবং ফজরের নামায জামাআত সহকারে আদায় করা ওমরার সমান সাওয়াব।
(লাত্বায়িফুল মাআরিফ, পৃ:৩৩৭)
! سُبْحَانَ الله জামাআত সহকারে নামায পড়ার কী ফযীলত...!! এখন দেখুন! হাজ্বী সাহেবরা যারা পৌঁছেছে বা পৌঁছাচ্ছেন, যারা তাওয়াফের স্বাদ গ্রহণ করবে, সাফা ও মারওয়ার পাহাড়ে প্রদক্ষিণ করবে, মুযদালিফা ও মিনা এবং আরাফার ময়দানে যাবেন, মদীনায়ে মুনাওয়ারায় হাযিরি দেওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করবেন, তাদের সৌভাগ্য, তারা অনেক সৌভাগ্যবান, আমরা হজ্বের জন্য যেতে পারছি না, আমরা এই সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত রয়ে গেলাম, এখন তো কমপক্ষে আমরা হজ্বের সাওয়াব তো অর্জন করতে পারি, জামাআত সহকারে নামায আদায় করার অভ্যাস গড়ুন! এশার নামাযও জামাআত সহকারে পড়ুন! ফজরের নামাযও জামাআত সহকারে আদায় করুন! অবশিষ্ট তিন ওয়াক্ত নামাযও মসজিদে তাকবীরে উলার সাথে আদায় করার সৌভাগ্য অর্জন করুন! বরং ঘর থেকে অযু করেই মসজিদের দিকে রওনা হন! ! اِنْ شَآءَ الله হজ্ব ও ওমরার সাওয়াব নসীব হয়ে যাবে।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami