Share this link via
Personality Websites!
হাদিসে পাক মাথায় রেখে ভালো ভালো নিয়ত সহকারে মা-বাবার সাথে ভালোবাসা নিয়ে সাক্ষাত করার অভ্যাস গড়ুন।
(৩): মা-বাবার কবরে হাজিরী দেওয়া
ওইসব ইসলামী ভাই যাদের মা-বাবা দুনিয়াতে বেঁচে নেই, ওফাত লাভ করেছেন, তারা ভাবছেন হয়তো আমরা হজ্বের সাওয়াব কিভাবে অর্জন করব? আমরা মা-বাবার সাথে সাক্ষাত কিভাবে করব? তাদের খেদমত আরজ হলো, ভয় পাবেন না, اَلْحَمْدُ لِلّٰه আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم হলেন رَحْمَۃٌ لِّلْعٰلَمِیْن (অর্থাৎ সমস্ত জাহানের জন্য রহমত), তিনি কাউকেও বঞ্চিত রাখেন না, ওইসব লোক যাদের মা-বাবা দুনিয়া থেকে পর্দা করেছেন, কবরে আরাম করছেন, রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাঁদেরকেও হজ্বের সাওয়াব অর্জন করার পদ্ধতি বলে দিয়েছেন, জি হ্যাঁ! হাদিসে পাক শুনুন! প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم বলেছেন: مَنْ زَارَ قَبْرَ اَبَوَیْہِ اَوْ اَحَدِ ہِمَا اِحْتِسَابًا کَانَ کَعَدْلِ حَجَّۃٍ مَبْرُوْرَۃٍ অনুবাদ: যে তার মা-বাবা, উভয়ে অথবা একজন (যিনিই ওফাত হয়েছেন, তাদের) কবরে সাওয়াবের নিয়তে যায়, তার এই আমল মকবুল হজ্বেও সমান।
(নাওয়াদিরুল উসুল, ১/৭২)
! سُبْحَانَ الله বোঝা গেল; যাদের মা-বাবা বেঁচে আছেন, তারা যেন ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাদের দিকে তাকায় তাহলে হজ্বের সাওয়াবের পাবে এবং যাদের মা-বাবা ইন্তেকাল করেছে, এখনো তাদের হাতে সুযোগ রয়েছে, তারা মা-বাবার কবরে গিয়ে তাদের কবর যিয়ারত করে নেয় তো তারাও মকবুল হজ্বের সাওয়াব পাবে। এজন্য আমাদের উচিত মা-বাবার সাথে সাক্ষাত করা, যদি তারা ওফাত লাভ করে তবে তাদের কবর যিয়ারত করা, এই সহজ কাজটি পারলে দিনে ১০০বার করুন, اِنْ شَآءَ الله প্রতিবার হজ্বের সাওয়াব পাবেন।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami