Share this link via
Personality Websites!
সেগুলোর মধ্যেই থাকবে। আল্লাহ তাদের উপর সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট। এটাই হচ্ছে বড় সাফল্য।
প্রসিদ্ধ মুফাসসিরে কুরআন, হযরত আল্লামা ঈসমাইল হাক্কী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এই আয়াতে কারীমের ব্যাখ্যায় যা কিছু বলেছেন, সেটার সারাংশ কিছুটা এরকম: * সত্য বলা লোকদের কিয়ামতের দিন সত্য উপকার দিবে। * দুনিয়াতে বলা মিথ্যা ও ধোকা কিয়ামতের দিন কোন অবস্থাতেই উপকার দিবে না বরং উল্টো ফাঁসিয়ে দেবে । * বিবেকবান লোকদের সত্যবাদীতার রাস্তায় চলার চেষ্টা করা উচিত। * সততা অবলম্বন করা বান্দাকে নেক আমলের দিকে ধাবিত করে। (রুহুল বয়ান, আয়াতের পাদটীকা: ১১৯, ২/৪৬৭-৪৬৮)
অপর এক স্থানে কুরআনুল কারীমে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
وَ كُوْنُوْا مَعَ الصّٰدِقِیْنَ(۱۱۹)
(পারা ১১, সূরা তাওবা, আয়াত ১১৯)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: আর সত্যবাদীদের সাথে থাকো।
তাফসীরে সিরাতুল জিনানে এই আয়াতে কারীমার ব্যাখ্যায় লেখা রয়েছে : অর্থাৎ ওইসব লোকদের সাথী হয়ে যাও যারা ঈমানের ক্ষেত্রে সত্যবাদী, যারা مُخْلِص (একনিষ্ঠতার নেয়ামত দ্বারা ধন্য হয়েছে) এবং যারা রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর একনিষ্ঠাতার সাথে সত্যায়ন করে। (সিরাতুল জিনান, ৪/২৫৭)
হে আশিকানে রাসূল! বর্ণনাকৃত আয়াত এবং এটার তাফসীর থেকে সুস্পষ্ট যে * তাঁদের সাথে থাকুন যারা নেককার। *তাঁদের সংস্পর্শ অবলম্বন করুন যারা পরহেযগার। * তাঁদের সাথে সম্পর্ক রাখুন যারা শরীয়তের উপর আমলকারী। * তাদেরকে বন্ধু বানানো দরকার যারা নিয়মিত নামায আদায়কারী। * তাদের সাথে থাকা উচিত যারা আল্লাহ পাককে ভয় করে। * তাদের সান্নিধ্যে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami