Share this link via
Personality Websites!
দিয়েছিলেন। নবী করীম, রউফুর রহীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাদের প্রতি খুবই অনুগ্রহ প্রকাশ করলেন, তাদের জন্য নিজের চাদর মোবারক বিছিয়ে দিলেন, নিজের কাছে বসালেন, পবিত্র মিম্বর থেকে তাদের জন্য প্রশংসামূলক বাক্য ইরশাদ করলেন, বরকতের দোয়া করলেন এবং হযরত আমীরে মুয়াবিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে তাদের থাকার স্থান পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দিলেন। হযরত আমীরে মুয়াবিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তখন যুবক ছিলেন, তিনিও মক্কার এক সর্দারের সাহেবজাদা ছিলেন, কিন্তু প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সাহচর্যের বরকতে স্বভাবে সর্দারী আভিজাত্য ছিল না। নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর হুকুম পাওয়ামাত্র আমীরে মুয়াবিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তৎক্ষণাৎ ওয়াইল বিন হুজরের সাথে রওয়ানা হলেন। ওয়াইল বিন হুজর উটনীর উপর আরোহন করলেন আর হযরত আমীরে মুয়াবিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُ পাশে থেকে পায়ে হেঁটে চলছিলেন। যেহেতু গরম খুব বেশি ছিল, তাই কিছুক্ষণ হাঁটার পর তিনি ওয়াইল বিন হুজরকে বললেন: গরম অনেক বেশি, এখন তো আমার পা ভেতর থেকে জ্বলতে শুরু করেছে। আপনি আমাকে আপনার পেছনে আরোহন করে নিন।
ওয়াইল বিন হুজর কড়াভাবে নিষেধ করে দিলেন। এতে হযরত আমীরে মুয়াবিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বললেন: কমপক্ষে আপনার জুতো জোড়াই পরিধান করতে দিন, যাতে আমি গরম থেকে বাঁচতে পারি। ওয়াইল বিন হুজর বললেন: তুমি ঐসব লোকদের অন্তর্ভুক্ত নও, যারা বাদশাহদের পোশাক পরতে পারবে। তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, তুমি আমার উটনীর ছায়ায় (Shadow) চলতে থাকো। তা শুনে হযরত আমীরে মুয়াবিয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُ অসাধারণ সহনশীলতার পরিচয় দিলেন এবং মুখে কোনো উত্তর দিলেন না। এক সময় এমন আসলো যে, হযরত আমীরে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami